লিড নিউজ

বাঁধ নির্মাণে দুর্নীতিঃ পিআইসির সভাপতিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী কৃষকদের

মুজাহিদুল ইসলাম সর্দার, দিরাই (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ   দিরাই উপজেলার সবকটি হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণে সীমাহিন দুর্নীতি, অনিয়মের দায়ে উপজেলার সকল পিআইসি’র সভাপতি ও পাউবো কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছে হাওর পাড়ের ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা। গত কয়েকদিন যাবত বিভিন্ন ব্যানারে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বাঁধ নির্মাণে সংশ্রিষ্ট সকলের শাস্তি ও হাওর রক্ষায় নদী খনন, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবী জানিয়ে আসছেন।

বাঁধ নির্মাণে পিআইসি’র সভাপতিরা হচ্ছেন দিরাই উপজেলার টাংগুয়ার হাওরের ডুবন্ত বাঁধের ভাঙ্গা ও মেরামত কাজে ১৩৮ নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন তাড়ল ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোছাঃ জাহানারা বেগম, ১৩৯ নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন একই পরিষদের সদস্য মোঃ গোলাম রব্বানী,১৫০ নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন কুলঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মোঃ চান মিয়া চৌধুরী, ১৫১ নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন একই ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার জাকারিয়া হোসেন, ১৫২ নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন  মেম্বার আছাদ মিয়া চৌধুরী, ১৫৩ নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন মেম্বার সোহেল রানা, ১৫৪ নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন মেম্বার আগুর মিয়া,১৫৫ নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন মেম্বার আব্দুল আলীম, ১৫৬ নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন মেম্বার ফুলকাছ মিয়া,ভান্ডাবিল হাওরের ডুবন্ত

বাঁধের ভাঙ্গা ও মেরামত কাজে ১৪০ নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন তাড়ল ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোছাঃ হাফছা বেগম, বরাম হাওরের ডুবন্ত বাঁধের ভাঙ্গা ও মেরামত কাজে ১৪১ নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন তাড়ল ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মোঃ শিমুল মিয়া, ১৪২ নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন একই পরিষদের মেম্বার মোঃ লাল মিয়া, ১৪৩ নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন মেম্বার মোঃ রাশেদ মিয়া, ১৪৪ নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন মেম্বার  মঞ্জুরুল হক মঞ্জু,

১৪৫ নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন মেম্বার মোঃ আজিজুর রহমান, ১৪৬ নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন মেম্বার আব্দুল কদ্দুছ,১৪৭ নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন তাড়ল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কদ্দুছ,১৭৫ নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন করিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মোঃ সরাফত আলী, ১৮৪ নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন দিরাই সরমঙ্গল ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার স্বাধীন মিয়া,চাপতির হাওরের ডুবন্ত বাঁধের ভাঙ্গা ও মেরামত কাজে ১৪৮ নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন তাড়ল ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মোঃ শেখ ফরিদ, ১৪৯ নং পিআইসির

সভাপতি হচ্ছেন একই পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল কদ্দুছ, ১৬২ নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন জগদল ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মহিম উদ্দিন, ১৬৩ নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন একই পরিষদের মেম্বার আব্দুল বাছিত, ১৬৪ নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন মেম্বার মোঃ নূর আলম, ১৬৫ নং পিআইসির সভাপতি মেম্বার মোঃ শাহাব উদ্দিন, ১৬৬ নং পিআইসির সভাপতি মেম্বার মোঃ রওশন আজম, ১৭৬ নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন করিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার সুকেশ বর্মণ, ১৭৭ নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন একই পরিষদের মেম্বার মোঃ জুয়েল আহমদ,সুরাইয়া বিবিয়ানা হাওরের ডুবন্ত বাঁধের ভাঙ্গা ও মেরামত কাজে ১৫৭নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন কুলঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদে

র মেম্বার বিল্লাল তালুকদার,হুরামন্দিরা হাওরের ডুবন্ত বাঁধের ভাঙ্গা ও মেরামত কাজে ১৫৮নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন জগদল ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মোঃ মনু মিয়া, ১৫৯নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন একই পরিষদের মেম্বার আতাউর রহমান, ১৬০নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন মেম্বার জাহির মিয়া, ১৬১নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন মেম্বার হেলাল আহমদ,উদগল বিল হাওরের ডুবন্ত বাঁধের ভাঙ্গা ও মেরামত কাজে ১৬৭নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন চরনারচর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার তপন ভৌমিক, ১৬৮নং পিআইসির সভাপতি মেম্বার প্রদীপ ভৌমিক, ১৭৯নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন দিরাই সরমঙ্গল ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার দুলাল আহমদ, ১৮০নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন একই  পরিষদের সদস্য সাহানারা খাতুন,১৮১নং পিআইসির সভাপতি মেম্বার দুলাল আহমদ,কালিকোটা হাওরের

ডুবন্ত বাঁধের ভাঙ্গা ও মেরামত কাজে ১৬৯নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন চরনারচর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার চন্দন তালুকদার, ১৭০নং পিআইসির সভাপতি একই পরিষদের মেম্বার সজল দাস,১৭৩ নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন রফিনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজোয়ান হোসেন খান, ১৭৪ নং পিআইসির সভাপতি একই পরিষদের মেম্বার বিকাশ সরকার, ১৭৮ নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন দিরাই সরমঙ্গল ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার অষ্টম রায়, ১৮২ নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন রাজানগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৌম্য চৌধুরী, ১৮৩ নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন ভাটিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার রাছিন আহমদ চৌধুরী,পাগনার হাওরের ডুবন্ত বাঁধের ভাঙ্গা ও মেরামত কাজে ১৭১নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন রফিনগর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার অতুল চন্দ্র

তালুকদার,১৭২নং পিআইসির সভাপতি হচ্ছেন একই পরিষদের সদস্য জবারানী তালুকদার। অভিযোগ উঠেছে দিরাই উপজেলার কোন বাঁধেই মাটি কাটা হয়নি। হাওর পাড়ের কৃষক সামসুদ্দিন বলেন প্রায় ২ হাল বোরো জমি করেও ১ মন ধান ঘরে তুলে পারি নাই।

নির্ধারিত সময়ের বহুদিন পরে সামান্য কিছু মাটি হাওর রক্ষা বাঁধে দেওয়া হয়। অসময়ের পানি এসেই আমাদের ফসল নিয়ে যায়। কৃষকদের এ ক্ষতি পূরণ হওয়ার নয়। সরকারের ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষের কাছে পিআইসি’র সভাপতি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানাচ্ছি।

Related Articles

Back to top button