লিড নিউজ

শুভ বড় দিন আজ: সিলেটে ব্যাপক প্রস্তুতি

ডেস্ক রিপোর্ট : খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব শুভ বড় দিন আজ। এই দিনে খ্রিষ্টধর্মের প্রবর্তক যিশুখ্রিষ্ট বর্তমান ফিলিস্তিনের বেথলেহেম শহরে জন্মগ্রহণ করেন। সারা পৃথিবীর কোটি কোটি খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের কাছে দিনটি পবিত্র ও আনন্দের। আজ সরকারি ছুটির দিন। বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো সিলেটেও দিনটি যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে পালিত হবে। এ উপলক্ষে নগরীর নয়াসড়কস্থ প্রেস ব্রিটারিয়ান চার্চ সাজানো হয়েছে রঙ্গিন সাজে।
অন্যান্য বছরের মতো বড় দিন উপলক্ষে আজ সকালেও সিলেটের খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীরা বিশেষ প্রার্থনায় যোগ দিতে নগরীর নয়াসড়কস্থ গির্জায় সমবেত হবেন। ইতোমধ্যে সাজানো হয়েছে ক্রিসমাস ট্রি, রয়েছে সান্তা ক্লজের উপহার ও বড় দিনের কেকের আয়োজন। আজ প্রভাতে গির্জায় বিশেষ প্রার্থনা (খ্রিস্টযোগ) হবে। প্রায় সব বাড়িতেই থাকবে কেক, পিঠা, কমলালেবু, পোলাও-বিরিয়ানিসহ বিভিন্ন ধরণের সুস্বাদু ও উন্নতমানের খাবার-দাবারের আয়োজন। বেড়ানো, ধর্মীয় গান, অতিথি আপ্যায়ন আর পরমানন্দে দিনটি কাটাবেন তারা। আজ বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশন, বেসরকারি টিভি ও রেডিও দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বিভিন্ন অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে। সংবাদপত্রগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করেছে। খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস হলো, ঈশ্বরের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য একজন নারীর প্রয়োজন ছিল। সেই নারীইকুমারী মেরি। মুসলমানদের কাছে যিনি বিবি মরিয়ম হিসেবে পরিচিত। ধর্ম বিশ্বাস বলে, ‘ঈশ্বরের আগ্রহে ও অলৌকিক ক্ষমতায়’ মেরি কুমারী হওয়া সত্ত্বেও গর্ভবতী হন। ঈশ্বরের দূতের কথামতো শিশুটির নাম রাখা হয় যিশাস, যা বাংলায় ‘যিশু’। আজকের এই দিনে জেরুজালেমের বেথলেহেম শহরে জন্ম হয় যিশুর। শিশুটি কিন্তু মোটেও সাধারণ শিশু ছিল নয়। ঈশ্বর যাকে মানবজাতির মুক্তির জন্য পাঠানোর কথা বলেছিলেন। যিশু নামের সেই শিশুটি বড় হয়ে পাপের শৃঙ্খলে আবদ্ধ মানুষকে মুক্তির বাণী শোনালেন। তিনি বলেন, ‘ঘৃণা নয়, ভালোবাসো। ভালোবাসো সবাইকে, ভালোবাসো তোমার প্রতিবেশীকে, এমনকি তোমার শত্রুকেও। মানুষকে ক্ষমা করো, তাহলে তুমিও ক্ষমা পাবে। যিশুর কথা শুনে অনেকে তাদের মন ফেরান।

Related Articles

Back to top button