লিড নিউজ

জগন্নাথপুরে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষনের অভিযোগ

জগন্নাথপুর প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর ইউনিয়নের গড়গড়ি লামাটুকের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে অপহরন করে ধর্ষনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অপহরনের এক মাস পর মেয়েটিকে জালালাবাদ থানা থেকে উদ্ধার করে পরিবার। এঘটনায় মেয়েটির বাবা ফজর আলী বাদী হয়ে বুধবার জগন্নাথপুর থানায় গড়গড়ি গ্রামের জহির আলীর পুত্র লিফসন মিয়া (১৮)সহ চার জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

এলাকাবাসী ও স্কুল ছাত্রীর বাবার লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, গড়গড়ি গ্রামের জহির আলীর বখাটে ছেলে লিফসন মিয়া দরিদ্র পরিবারের মেয়ে লামাটুকের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রীকে বিদ্যালয়ে যাওয়া আসার পথে প্রায়ই উত্যক্ত করত।

গত ১৪ সেপ্টেমর বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে বখাটে লিফসন চাচাতো ভাই আলকাছ আলী,গয়াছ উদ্দিন ও রিপন মিয়ারসহযোগীতায় সিএনজিযোগে অপহরন করে নিয়ে যায়। মেয়েটিকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে সিলেটের বিভিন্ন স্থানে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে থাকে।

গত ১০ অক্টোবর কান্দিরগাঁও ইউনিয়নবাসী তাদেরকে সন্দেহজনকভাবে আটক করে জালালাবাদ থানায় হস্তান্তর করে। জালালাবাদ থানা পুলিশ মেয়েটিকে পরিবারের হাতে তুলে দেয়। এসময় ছেলেটি পালিয়ে যায়।

স্কুল ছাত্রীর ভাই আমির আলী জানান,অপহরনের পর থেকে অনেক খোঁজাখুঁজি করে মেয়েটির সন্ধান না পেয়ে ছেলেটির পরিবারের সাথে এলাকাবাসীকে নিয়ে যোগাযোগ করলে তারা স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যাননের নিকট যোগাযোগের জন্য বলেন। তিনিও কোন সুরাহা দিতে পারেননি।

মীরপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জমির উদ্দিন বলেন,ছেলে পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে আমি উভয়পক্ষকে বিষয়টি সামাজিকভাবে নিম্পতির জন্য ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ডাকি। পরে ছেলে পক্ষ বিচার না মানায় কোন সিদ্ধান্ত নেয়া যায়নি।

মেয়ের বাবা ফজর আলী বলেন,আমি দরিদ্র ও ছেলে পক্ষ প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ আমারা কোন বিচার পাইনি। ১০ অক্টোবর সিলেট জালালাবাদ থানার খবর পেয়ে মেয়েকে নিয়ে আসি।

তিনি বলেণ, প্রায় এক মাস আমার মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষন করে এখন ফেলে গেছে। মেয়েটি এখন মানিসকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। আমি এর বিচার চাই।

লামাটুকের বাজার উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইলিয়াছ মিয়া জানান,ঘটনাটি আমরা শুনেছি। ছেলে ও মেয়ে প্রাপ্ত বয়স না হওয়ায় এলাকাবাসী চেষ্ঠা করে কোন সুরাহা করতে পারেননি।

জগন্নাথপুর থানার উপ-পরির্দশক কবির আহমদ জানান, এবিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ পদক্ষেপ নেয়া হবে।

Related Articles

Back to top button