লিড নিউজ

সিলেট থেকে টেকনাফ অভিমুখে রোডমার্চ বৃহষ্পতিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক : মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের উপর দেশটির সেনাবাহিনী ও সরকারের পৈশাচিক নির্যাতনের প্রতিবাদে বিশ্ব জনমত গড়ে তুলতে বৃহস্পতিবার সকাল ১০ ঘটিকায় সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন রশীদ চত্বর থেকে শতাধিক গাড়িবহর নিয়ে টেকনাফ অভিমুখে রোডমার্চ করবে ‘হিউম্যানিটি ফর রোহিঙ্গা বাংলাদেশ’। বুধবার দুপুরে নগরীর জিন্দাবাজারস্থ একটি অভিজাত হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত তুলে ধরেন আয়োজকরা। রোডমার্চের সবধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান, সংগঠনের চেয়ারম্যান, রোডমার্চের আহবায়ক ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব সাবেক এমপি এডভোকেট মাওলানা শাহীনূর পাশা চৌধুরী। তিনি জানান, মাত্র কয়েকদিনের নোটিশে সিলেট বিভাগসহ দেশের বিভিন্ন জেলা সফর করে যথেষ্ট সাড়া পেয়েছি রোডমার্চ কর্মসুচিতে। টেকনাফে প্রায় সহ¯্রাধিক গাড়ি নিয়ে এই রোডমার্চ অনুষ্ঠিত হবে। শুক্রবার বিকেলে ককসবাজারে সমাবেশের মাধ্যমে রোডমার্চ কর্মসুচি সমাপ্ত হবে। তিনি রোডমার্চ সফলের জন্য গণমাধ্যম কর্মী ,প্রশাসন, সিলেটসহ দেশবাসীর দোয়া ও আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রোডমার্চ এর সমন্বয়কারী লে:কর্নেল (অব) আতাউর রহমান পীর, রোডমার্চ বাস্তবায়ন কমিটি সিলেট মহানগরের সমন্বয়কারী অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান সিদ্দিকী, প্রবাসী কমিউনিটি নেতা হাফিজ মাওলানা লোকমান আহমদ খান,হিউম্যানিটি ফর রোহিঙ্গার সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হাসান,মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী, মাওলানা আলী নূর, মাওলানা তৈয়্যিবুর রহমান চৌধুরী, হিউম্যানিটি ফর রোহিঙ্গা বাংলাদেশের মিডিয়া সমন্বয়কারী মুহাম্মদ রুহুল আমীন নগরী, মাওলানা মুতিউর রহমান, মাওলানা সৈয়দ শোয়াইব আহমদ,মাওলানা কায়সান মাহমুদ আকবরী প্রমুখ। শাহীনূর পাশা চৌধুরী জানান, মহান আল্লাহপাকের অশেষ কৃপায় , দেশবাসীর সর্মথন ও আপনাদের সার্বিক সহযোগিতায় আমরা এই রোডমার্চের মাধ্যমে কিছুটা হলেও বিশ্ববিবেকের সাড়া জাগাতে সক্ষম হবো বলে আমি দৃঢ় আশাবাদি। হাজার বছরের আরাকান রাজ্যের আদিবাসী রোহিঙ্গাদের যেভাবে হত্যা, বর্বর নির্যাতন করা হচ্ছে, তা ইতিহাসের এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। বাংলাদেশ মানবতায় সাড়া দিয়ে নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের সাময়িকভাবে আশ্রয় দিয়েছে। তবে, তাদেরকে অবশ্যই তাদের নিজের দেশে ফিরিয়ে নিতে হবে। বিপন্ন রোহিঙ্গাদের সাময়িক আশ্রয় দেয়ায় বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আমরা ধন্যবাদ জানাই।একই সাথে এই গণহত্যা বন্ধে আন্তর্জাতিকভাবে আরো জোরালো ভূমিকা পালনের জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানাচ্ছি। মিয়ানমারে রোহিঙ্গা গণহত্যা বন্ধে সেখানে শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েনের করার দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের দেশে ফিরিয়ে নিতে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার জন্য আমাদের আরো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া উচিত।

Related Articles

Back to top button