বিশ্বনাথে থানায় জিডি করায় বাদীর বসতঘরে আগুন


বিশ্বনাথ সংবাদদাতাঃ সিলেটের বিশ্বনাথে অগ্নিকান্ডে এক দিনমজুরের বসত ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় আড়াই লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন হয়েছে।
এই ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই বিশ্বনাথ থানা পুলিশের এসআই কামরুল ইসলামসহ একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। গতকাল সোমবার ভোররাত ৩টার দিকে উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের বাইশঘর গ্রামের দিনমজুর ফরুক মিয়ার বসত ঘরে এ ঘটনা ঘটে।
প্রতক্ষদর্শীরা জানান, রোববার রাতে ফরুক মিয়া জরুরি কাজে বাড়িতে না থাকায় তার স্ত্রী জুলেখা বিবি তার দুই ছেলে সানি মিয়া ও সাফি মিয়াকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত অনুমান আড়ইটা কিংবা ৩টার দিকে আগুন দেখে চিৎকার শুরু করলে আশপাশ লোকজন সহ রাতের টহল দারী পুলিশ এসে আগুন নিভাতে সাহায্য করেন। কিন্তু এর আগেই আগুনের লেলিহান শিখা মুহুর্তের মধ্যে চালের টিন, ঘরে থাকা হাস-মোরগ, স্বর্ণালংকার, জায়গা জমির দলিলপত্র, টেলিভিশন, ডিভিডি, টেপ রেকর্ডারসহ প্রয়োজনীয় সকল আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এব্যাপারে থানায় মামলা দায়েরে প্রস্তুতি চলছে।
ফরুখ মিয়ার স্ত্রী জুলেখা বিবির কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন,রাতের আধারে দুর্বৃত্তরা পেট্রোল দিয়ে তাদেরকে পুড়িয়ে মারতে বসত ঘরে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। তবে বিশ্বনাথ থানার ওসি (তদন্ত) কামাল হোসেন এ অগ্নিকান্ডকে রহস্যজনক বলে দাবি করে বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে দ্রæত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অগ্নিকান্ডের কারণ জানতে চাইলে এসআই কামরুল ইসলাম রাতের আধারে কে বা কাহারা আগুন লাগিয়ে দিয়েছে তা জানা যায়নি। তবে তিনিসহ গ্রামের লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণে সহযোগীতা করেছেন বলেও জানান তিনি।
কিন্তু ফারুক মিয়ার দাবি, একই এলাকার মৃত.গুলজার আলী ছেলে রমিজ আলী,মতিন মিয়া,সকিন আলী তাকে কয়েকদিন পূর্বে হুমকি প্রদান করে। এতে তিনি নিজের সার্বিক নিরাপত্তার কথা চিন্তাকরে বিশ্বনাথ থানায় চলতি মাসের ৫ তারিখ তিনি একটি সাধারন ডায়রি করেন। এই সাধারন ডায়রি করার করনে আগুন দেওয়া হযেছে বলে দাবি তার।





