ইতিহাস গড়তে বাংলাদেশের দরকার ১৯১ রান


স্পোর্টস ডেস্ক :বাংলাদেশ দল যা চাইল তা আর পুরোপুরি হলো কই। ইচ্ছে ছিল পঞ্চম ও শেষ দিনের সকালে কলম্বো থেকে দ্রুত শেষ দুটি উইকেট তুলে নেবে তারা। কিন্তু অলরাউন্ডার দিলরুয়ান পেরেরা (৫০) ও লেজের ব্যাটসম্যান সুরঙ্গা লাকমাল (৪২) দারুণ হতাশ করলেন। ১৩.২ ওভার বল করতে হলো টাইগারদের পি.সারা ওভালের শেষ সকালে। তাতে নিজেদের শততম টেস্টে ঐতিহাসিক জয়ের জন্য টাইগারদের লক্ষ্য দাঁড়াল ১৯১। দ্বিতীয় ইনিংসে ৩১৯ রান করে অল আউট হয়েছে শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশের সামনে শ্রীলঙ্কাকে প্রথমবার টেস্টে হারানোর হাতছানি। তাও তাদেরই মাটিতে। আর এই ম্যাচে বাংলাদেশের জয় মানে দুই ম্যাচের সিরিজ শেষ হবে ১-১ এর সমতায়।

৯৯ টেস্টে এ পর্যন্ত ৮টি জয় বাংলাদেশের। তার মধ্যে মোটে তিনটি বিদেশের মাটিতে। এখন এসেছে মহোত্তম সুযোগ। আগের বিকেলে শেষ দুটি উইকেট তুলে নেওয়া যায়নি। শেষটায় কি যেন হয়! রোববারের সকালেও তাই। পেরেরা সিরিজে দ্বিতীয় ফিফটি করলেন। ৮ উইকেটে ২৬৮ রানে স্বাগতিকরা দিন শুরু করে। ১৩৯ রানের লিড তখন লঙ্কানদের। বাংলাদেশ এই লিডটাকে ২৬০ এর বেশি হতে দিতে চায়নি। কিন্তু ঠেকাতেও পারেনি। আগের দিন তিনটি করে উইকেট নেওয়া মোস্তাফিজুর রহমান ও সাকিব আল হাসানও সকালটাকে রঙিন করতে পারলেন না। নবম উইকেটে ৮০ রান করে পেরেরা ও লাকমালের জুটি। এই পি.সারা ওভালে যেমন ৩৫২ রানের টার্গেট জয়ের ইতিহাস আছে। আবার ২৪৪ রানের জয়ের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে স্বাগতিকদের কাছে ১৭১ রানে অল আউট হওয়ার ইতিহাসও আছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে যে ঘটে এবার!
১৬ কোটি ক্রিকেট পাগল বাংলাদেশের মানুষের চোখ এখন কলম্বোতে।
বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশ তিনটি ম্যাচ জিতেছে। প্রতিপক্ষের মাটিতে সর্বোচ্চ রান তাড়া করার রেকর্ডটা সাকিব আল হাসানের দলের। ২০০৯ সালের জুলাইয়ে গ্রানাডায় ম্যাচ জিততে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দিয়েছিল ২১৫ রানের টার্গেট। ৪ উইকেটে ওই ম্যাচ জয়ের সাথে বিদেশের মাটিতে প্রথম সিরিজও জিতেছিল বাংলাদেশ। আর এখন পর্যন্ত চতুর্থ ইনিংসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে বাংলাদেশের জেতার রেকর্ড হয়ে আছে ওটাই।




