বড়লেখায় তরুণীকে ধর্ষণের চেষ্টা : মামলা না করতে ভয়-ভীতিপ্রদর্শন

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে, অভিযুক্ত পুতুল মিয়া পেশাগত সাংবাদিকদের সাথে খারাপ আচরণ সুলভ ব্যবহার করে বলেন “আফনারা আমার বাড়িত কিতার লাগি আইছইন ! ইতা কমিশনারে সমাধান করার চেষ্টা কররা। আমি কিছুই জানি না। আপনারা হুইপ ও কমিশনার (কাউন্সিলর) তাজ উদ্দিনের সাথে কথা বলেন, তারা সব জানেন ! বলে ফোন হাতে দিয়ে দেন।”বড়লেখা পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাজ উদ্দিন মুঠোফোনে বলেন, এলাকাবাসী সমাধান খরতা ছাইরা। আমি তোমাতানরে বাংলা ভাষায় খইয়ার ! আফনারা (সাংবাদিকরা) বিছারের আগে রায় দিয়া দেইন। আমিও আঠারো বছর সাংবাদিকতা খরছি ! তিনি কোন পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেছেন এ বিষয়ে জানতে চাইলে মুঠোফোনের সুইচ অফ করে দেন !
এ ব্যপারে তরুনী রুমানা বড়লেখা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানা যায়। অভিযোগের ব্যপারে বড়লেখা থানার তদন্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ধর্ষনের চেষ্টার সাক্ষী প্রমাণ পাওয়া গেছে, মামলা রেকর্ড হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।




