লিড নিউজসিলেট বিভাগ

দফাদার কর্তৃক সংখ্যালঘু মহিলার বয়স্ক ভাতা আত্মসাৎ

নিউজ ডেস্ক : মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দা গীতা রাণী’র নামীয় বয়স্ক ভাতার টাকা একই ইউনিয়নের দফাদার (গ্রাম পুলিশ প্রধান) রহমান খান কর্তৃক আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

হাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ডের ভুইগাঁও গ্রামের মৃত সৈত্যেন্দ্রের স্ত্রী গীতা রানীর নামে একটি বয়স্ক ভাতা কার্ড ইস্যু হয়। কার্ড ইস্যু হওয়ার পর তিনি ভাতার টাকা উত্তোলনের জন্য অগ্রণী ব্যাংক কটারকোনা শাখায় গেলে জানতে পারেন যে তার বয়স্ক ভাতার টাকা কেউ একজন উটিয়ে নিয়েছেন। এরপর তিনি বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্য কবির বক্সকে অবহিত করলে কবির বক্স বিষয়টি জানতে ইউনিয়ন পরিষদের দফাদারের শরণাপন্ন হন। তখনই বেরিয়ে আসে থলের বেড়াল, দফাদার রহমান খান গীতা রাণীসহ আরো তিন জনের বয়স্ক ভাতা আত্মসাত করার বিষয়টি স্বীকার করেন ইউপি এই সদস্যের কাছে বলে জানান ভুক্তভোগী মহিলার ছেলে অদৈত্য।

এরই মধ্যে বিষয়টি জানাজানি হয়ে যাওয়ায় দফাদার আত্মসাতকৃত দুইজন ভুক্তভোগীর টাকা ফেরত দিয়ে দেন। কিন্তু বেঁকে বসেন গীতা রাণীর টাকা ফেরত দিতে। ইউপি সদস্য কবির বক্স দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও গীতা রানীর ভাতার এই টাকাগুলো উদ্ধার করতে সক্ষম হননি।

প্রতারিত এই মহিলার ছেলে অদৈত্য জানান, এই দফাদার তিন জনের টাকা আত্মসাত করে অপর দুইজনের টাকাগুলো পুনরায় ফেরত দিলেও আমার মায়ের বয়স্ক ভাতার টাকাগুলো ফেরত দিচ্ছেন না। পেশায় নরসুন্দর এই মানুষটি করোনার কঠিন দিনে তার টাকা গুলো ফেরত পেতে দায়িত্বশীলদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

তবে বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে হাজীপুর ইউপি পরিষদের ৬ নং ওয়ার্ড সদস্য কবির বক্স সরকারিভাবে নগদ সহায়তা কার্যক্রম নিয়ে বর্তমানে তিনি খুব ব্যস্থ জানিয়ে বলেন, বয়স্ক ভাতার এই অভিযোগটি সুরাহা করতে উভয়কে ডাকা হবে।

বিষয়টি জানতে চাইলে হাজীপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল বাসিত বাচ্চু’র মোবাইলে বেশ কয়েকবার কল দিলে তিনি কল রিসিভ করেন নি।

Related Articles

Back to top button