বাঙালি জাতির প্রকৃত স্বার্থ ও আশার প্রতীক মুক্তিযুদ্ধ: ভূমিমন্ত্রী


মো. রেজুয়ান খান : ভাষাসৈনিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ এম.পি. বলেছেন, বাঙালি জাতির প্রকৃত স্বার্থ ও আশা আকাক্সক্ষার প্রতীক হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযোদ্ধারা বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার অনুঘটক। মন্ত্রী বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে পরিবর্তন হচ্ছে বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের ভাগ্য।
দুপুরে ঈশ^রদী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ঈশ^রদী উপজেলার ইউনিয়ন ও পৌরসভার মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভুক্তির জন্য অনলাইনে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জামুকায় আবেদনকৃত আবেদন যাচাই বাছাই কার্যক্রমে সভাপতির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, এর শ্রেষ্ঠ প্রমাণ দিয়েছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরতœ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণায় সাড়া দিয়ে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ হতে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সময়ের মধ্যে যে সকল ব্যক্তি মহান স্বাধীনতা অর্জনের জন্য মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন, তাঁরাই মুক্তিযোদ্ধা। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আমলেই মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি ভাতার হারও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, ভাতাভোগীর সংখ্যা দ্বিগুণ করা হয়েছে। যেখানে একজন ভাতাভোগী পেতেন ৯০০ টাকা এখন তিনি পাচ্ছেন ১০ হাজার টাকা। ভাতাভোগীর সংখ্যা বর্তমানে ১ লাখ থেকে ২ লাখে উন্নীত হয়েছে। সরকার প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানাতেই এ যাচাই বাছাই প্রক্রিয়া। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ রয়েছে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা একজনও যাতে বাদ না যায়। তিনি বলেন, সে লক্ষ্যেই নীতিমালা অনুযায়ী আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
ঈশ^রদী উপজেলায় ৭৫৩ জন মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা পাচ্ছেন। বর্তমানে ৬৮৯ জন মুক্তিযোদ্ধার আবেদন যাচাই বাছাই কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ভূমিমন্ত্রী শামাসুর রহমান শরীফ এম.পি’র সভাপতিত্বে যাচাইবাছাই কার্যক্রমে অন্যান্যের মধ্যে কার্যকরি সদস্য মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা, আ.ত.ম. শহিদুজ্জামান নাছিম, আ. খালেক, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. রশীদুল্লাহ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাকিল মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।




