ছাত্রলীগের হামলায় আহত সাংবাদিক মিসবাহ উদ্দিনের পাশে অনলাইন প্রেসক্লাব

স্টাফ রিপোর্টার: ছাত্রলীগের ক্যাডারদের হাতে গুরুতর আহত সাংবাদিক মিসবাহকে দেখতে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সহসভাপতি সিলেটের খবরের সম্পাদক সাংবাদিক গোলজার হমদ হেলাল, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি, আজকের সিলেটের প্রধান সম্পাদক এম সাইফুর রহমান তলুকদার, প্রেসক্লবের সদস্য জাবেদ আহমদ, হেনা বেগম, ফাহাদ মারুফ, সেলিম আহমদ। প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ এই হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, ছাত্রলিগের তৎপরতা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। সংবাদ কর্মিরাও তাদের হাতে নিরাপদ নয়। মিসবাহ উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, রুম্মান আমাকে একটুর জন্যে আমাকে প্রাণে মেরে ফেলত। তিনি কাঁদতস্বরে সাংবাদিকরেন বলেন, সিলেটের বিয়ানীবাজার যাবার পথে তারা হঠাত দ্রুতগতিতে এসে ৩টি মটর সাইকেল নিয়ে এসে আমাকে ঘেরাও করে। আমি কিছু বুঝে উটার আগেই তারা আমার উপর আক্রমণ করে। হেলমেট দিয়ে আমার মুখে আঘাত করে দাত ভেংগে ফেলে। আমি রাস্তায় পড়ে গেলে আরেকজন আমার হাতের উপর দিয়ে গাড়ি তুলে হাত ভেংগে যায়। হেলমেটের আঘাতে আমার সামনের ৪টি দাতে প্রচণ্ড আঘাত পাই। একটা দাঁত ভেংগে গেছে। তারা আমাকে প্রাণে মারার চেষ্টা করলেও স্রষ্টার দয়ায় অল্পের জন্য আমি বেঁচে যাই। আশপাশের লোকজন আমার চিতকার শুনে এসে আমাকে উদ্বার করে। তারা যাওয়ার সময় বলে যায় ‘তোর জীবনকে তুই মৃত্যুর দিকে নিয়ে আসচিছ, তোকে আমরা রেহাই দেবো না। তিনি বলেন, হামলাকারীরা ছিলো বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সিলেট মহানগরীর সভাপতি রুম্মান এবং তার কর্মীরা। মিসবাহ উদ্দিনের মুখ থেকে এমন বর্বর বর্ণনা শুনে তার সহযোগীরা কেঁদে ফেলেন। এবং তাকে স্বান্তনা দেন। উল্লেখ্যঃ সিলেট মিডিয়ার প্রধান সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিনের একটি প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে গত ২৮ মার্চ রবিবার সিলেট থেকে বিয়ানীবাজার যাওয়ার পথে সাংবাদিক মিসবাহ উদ্দিন এর ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ নেতা রুম্মান সহ ছাত্রলীগ ক্যাডার বাহিনী। এসময় স্থানীয় জনগন থকে হাসপাতালে নিলে ৫দিন চিকিৎসার পর তিনি বাসায় ফিরেন।




