জাতীয়লিড নিউজসিলেটসিলেট বিভাগ

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সিলেটে অসুস্থ মানুষের মাঝে চেক বিতরণ

নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ তহবিল থেকে বরাদ্দকৃত অর্থ এবং সিলেট জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আমাতুজ জাহুরা রওশন জেবীন রুবার প্রচেষ্টায় প্রাপ্ত অর্থের অনুদানের চেক বিতরণকালে বক্তারা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার এ দেশের গরীব অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য রাজনীতি করেন। এই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের অসহায়, দরিদ্র ও অসুস্থ মানুষের প্রতি সর্বদা আন্তরিক। অসুস্থ মানুষদের সুস্থ করতে চিকিৎসা বাবদ অনুদান প্রদান করা নিসন্দেহে মহতি উদ্যোগ।তারা প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে এ ধারা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা পরিষদ কার্যালয়ে জেলা পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ মতিউর রহমানের সঞ্চালনায় ও জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী প্রধান দেবজিৎ সিনহার সভাপতিত্বে আমাতুজ জাহুরা রওশন জেবীন রুবার স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সূচিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট লুৎফুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও রুবার জন্য সবাই দোয়া করবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরেই এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। শেখ হাসিনা জনগণের জন্য কাজ করার জন্য নানা উদ্যোগ নিয়েছেন। বাংলাদেশ এখন বিশ্ব দরবারে উন্নয়নের রোল মডেল। আগামীতে উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে, মানুষকে কিছু দিয়েছে। অসহায় মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য বঙ্গবন্ধু কাজ করে গেছেন, ভিক্ষুক জাতি হিসেবে নয়, আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে বাঙালি জাতি মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে, সে লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে চলেছি।বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্যে,সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দা জেবুন্নেসা হক বলেন, সবাই প্রধান মন্ত্রীর কার্য্যালয়ে ভীড়তে পারে না। সাবেক মন্ত্রী দেওয়ান ফরিদ গাজীর মেয়ে রওশন জেবীন যা করতে পারেন অন্যরা তা করতে পারে না। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ছেলেমেয়েদের শিক্ষার ব্যাপারে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। উন্নত শিক্ষা গ্রহণ করে তারা যেন দেশে ও বিদেশে সুনাম অর্জন করতে পারে, আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। মেধাবী শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার যেন কোনও সমস্যা না হয়, সেজন্য আ’লীগ সরকার ভাতার ব্যবস্থা করে দিয়েছে।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে,সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন বলেন, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের ডাক দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু । আর এখন শেখ হাসিনা সবাই কে নিয়ে বাংলাদেশ কে উন্নত শিখড়ে সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ কে নিয়ে যাচ্ছেন। শেখ হাসিনা সরকার সবসময় সিলেটবাসীর প্রতি আন্তরিক ছিলেন আছেন ও থাকবেন তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি সিলেটের প্রতি আন্তরিক না থাকতেন,তাহলে সিলেট নগরীর অবকাঠামো নির্মাণের জন্য ১২২৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দিতেন না। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্মরণ করে এ নেতা বলেন, ‘জাতির পিতা একটি যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশেকে পূর্নবাসন করতে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কাজ করে গেছেন। আমার তার আর্দশে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কাজ করতে হবে।তিনি বলেন, মেহনতি মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করাই আওয়ামী লীগের নীতি। এ নীতি নিয়ে আমরা সরকার পরিচালনা করি। আমাদের গৃহীত পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।’এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে বক্তব্যে রাখেন সিলেট জেলা আওযামীলীগের সাবেক যুগ্ন সাধারন সম্পাদক অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিক। জেলা পরিষদের সদস্য- সুষমা সুলতানা রুহি,মোহাম্মদ শাহানুর, মো নুরুল ইসলাম ইছন, মোস্তাক আহমদ পলাশ প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে অসুস্থ মানুষের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ তহবিল থেকে সিলেট জেলার দুঃস্থ গরীব রোগীদের চিকিৎসার্থে ২৬ জন রোগীকে প্রায় ১৩ লাখ টাকার নগদ চেক তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।

Related Articles

Back to top button