পল্লী গ্রাম বানিয়াচংয়ের ইতিহাস


শেখ হুমায়ূন আহমেদ
বানিয়াচংয়ের ছেলে আমি ”
দোকান টোলা জন্ম স্হানের নাম,
ছড়িয়ে আছে বিশ্বে বানিয়াচংয়ের সুনাম।
এ গ্রামের আছে শত শত ইতিহাস “গুনিজন ও সম্মানিত ব্যাক্তি,
এরই মাঝে আছে নজর বিহীন, সাগর দীঘি, গুনবতী কমলাবতী,, যার ছোঁয়ায়, সাগর দীঘি সৃষ্টি।
আরো আছে রাজ বাড়ি”
আলি রাজার বংশধর,
বিথঙ্গঁলের আখড়া বাংলাদেশর দিত্বীয়,,
এক ছাদে, একশত বিশ কোটার ঘর।
নিজের স্বার্থ বিলীন করে যিনি গড়ে গেলেন শিক্ষাঙ্গন কলেজ,
(মরহুম) জনাব আলী সার।
আরেক কিংবদন্তি আছেন”
বীর মুক্তি যোদ্ধা, আমির হোসেন মাষ্টার,,
যিনি দিয়ে গেলেন শুধু,
পেলেননা কিছু আর।
পরিচিত যিনি হলেন জনসেবায়”
ব্র্যাক ব্যাংকের প্রতিষ্টাতা,
ফজলে হাসান আবেদ সার।
তৃনমুলের রাজনীতিবীদ” বানিয়াচংয়ের অহংকার, সাখাওয়াত হাসান জীবন ডাক্তার।
জনপ্রিয় যিনি ছিলেন,
রাস্তা নিমার্ন হল নামে যার,,
তিনি হলেন (মরহুম) এম, পি শরীফ উদ্দিন সার।
দুঃখে যাদের গল্পে গাতা”
কষ্টে কেটেছে জীবন কাল,
সৃতির পাতায় আছে তারা,,
দুই ভাই আলাল আর দুলাল।
আরেক প্রতিভা উদয় পল্লী সম্পাদক”
কবিবন্ধু সাজ্জাদ বিন লাল,,
বেঁচে থাকো চিরকাল,
নতুন জাগরনে মন কেড়েছে সবার,
উদয় পল্লীতে উঠেছে জোয়ার।
সুর যার লাগে মধুর”
মন ছুয়ে যায় গানে,
সুনাম যার আছে বাংলায়,,
ঠাই পেয়েছেন স্রুতাদের হৃদয়ের কোনে,
তিনি প্রয়াত শিল্পী সুবীর নন্দী
যার বানিয়াচং জন্ম স্হান।
বানিয়াচং আজমিরীগন্জের”
ভাটি বাংলার রুপকার,
যিনি করেছেন উন্নয়নের জোয়ার,,
নদী নালা খাল বিল,
স্কুল কলেজ মসজিদ মাদ্রাসা,,
পঞ্চাশ ছিট বিশিষ্ট হাসপাতাল,
রাস্তাঘাট শত শত, ব্রিজ কালভার!
তিনি হলেন, এডভোকেট এম পি
আবদুল মজিদ খাঁন।
মন্ত্রী ও ছিলেন যিনি”
তিনি (মরহুম) এম, পি সিরাজ খাঁন।
যার দাপটে কাঁপত সবে,
করিত সম্মান”
তিনি তো আর কেউ নন, (মরহুম)
চেয়ারম্যান আঃ সালাম খাঁন।
আরেক সাহসী পুরুষ”
যার ইতিহাস আছে বয়ে,
দেশের বিভিন্ন স্হান,,
সবাই করে সম্মান,
তিনি হলেন বার বার নির্বাচিত,, সফল চেয়ারম্যান,
বীর মুক্তি যোদ্ধা ধন মিয়া,, হায়দরুজ্জামান খাঁন।
উন্নয়নের জোয়ার যার”
কাজ করেছেন নজরবিহীন,
সুষ্ঠ বিচার দ্রুত ঝগড়া বিবাদ,,
মীমাংস সদা করেন প্রতিদিন,
তিনি তো আর কেউ নন,,
বড় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির, সভাপতি
আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীন।
নেই কোনো দুর্নিতির ছোঁয়ায়”
থাকেন নিয়োজিত জনসেবায়,
সৎ নিষ্ঠাবান জন দরদী,,
যার কোনো তুলনা নাই, সাংবাদিক
আফছার আহমেদ রুপক ভাই।
সবার চাইতে ভিন্ন যিনি”
যার লেখা বইয়ে জাগায় অনুপ্রেরনা, হয় সঁপ্ন সুনীল,,
তিনি হলেন মোদের গর্ভ,
লেখক ও গবেষক,,
আবু সালেহ ভাই।
যার সব কটি লেখা বইয়ে বানিয়াচংয়ের ইতিহাসে আছে যে মিল।
আলেম উলামার সমাজ মোদের, আছেন অনেক ওলি ও ওলামাগন”
যাদের আজও করে সবাই স্বরন, তাদের মাঝে অন্যতম শাইখ
(মরহুম) আব্দুল হামিদ সাব।
(মরহুম) আলাউদ্দিন শেখ সাব। (মরহুম) গুনই শেখ সাব।
বানিয়াচং হল, ওলিদের সমাগম” তাদের মধ্যে ছিলেন, ( মরহুম)
আব্দুল কুদ্দুস সাব ও একজন।
ওলির মত লাগে যারে ”
তিনি হলেন উস্তাদুল উলামা, শায়খুল হাদিস ফজলুর রহমান।
বাঘের মত হুংকার যার” বানিয়াচংয়ের আলোড়ন জনতার, তিনি
শাইখুল হাদীস মখলিছুর রহমান।
উস্তাদের ও উস্তাদ যিনি”
(বড় হুজুর)
আব্দুল বাসিদ আাজাদ।
লেখতে গেলে আছে আরো অনেক কিছু, বানিয়াচংয়ের ইতিহাস,,
রাএি থেকে হয়ে যাবে প্রভাত।




