লিড নিউজসুনামগঞ্জ

দিরাইয়ে দুই কোটি টাকা ব্যয়ে দৃষ্টি নন্দন মসজিদের উদ্বোধন

দিরাই প্রতিনিধি: দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নরে নলুায়ার হাওরের পশ্চিম পাড়ে অবস্থিত নাছনি বাজার সংলগ্ন ওই গ্রামের প্রবাসীদের অর্থায়ানে প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক কারুকাজে নির্মিত দৃষ্টি নন্দন নাছনী জামে মসজিদের উদ্বোধন করা হয়েছে । শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর মসজিদ টির উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা। মসজিদের মুতায়াল্লী হাজী রহমত আলীর সভাপতিত্বে ও নির্মান কমিটির সদস্য নাছনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মজিদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কুলঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ মুজিবুর রহমান, উদ্যোক্তাদের মধ্যে যুক্তরাজ্য প্রবাসী সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুস সহিদ, কুয়েত প্রবাসী কমিউনিটি নেতা সেবক আহমদ, যুক্তরাজ্য প্রবাসী জমাদার উল্লাহ, জয়নাল আবেদীন, আলা উদ্দিন। স্থানীয়দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল মুকিত, মজুমদার মিয়া (দারোগা) সাবেক ইউপি সদস্য মান্না মিয়া, মুক্তিযুদ্ধা শফিকুর রহমান, দিরাই প্রেসক্লাব সভাপতি সামছুল ইসলাম সরদার খেজুর, দিরাই অনলাইন প্রেসক্লাব সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সর্দার,জনতার কণ্ঠের সম্পাদক জাকারিয়া হোসেন জোসেফ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, আমি দেশ বিদেশের অনেক জায়গা ঘুরেছি কিন্তু পাঁড়া গাঁয়ে এতো টাকা ব্যয়ে দৃষ্টি নন্দন মসজিদ নির্মতি হয়েছে এমন মনোরম মসজিদ দেখিনি, নাছনী গ্রামের প্রবাসীদের আন্তরিকতাও গ্রাম বাসীর একতা আমাকে মুগ্ধ করেছে, নাছনী গ্রামের মানুষের উন্নয়ন কাজে ঐক্যের বন্ধন ওসহমর্মীতা সত্যই প্রশংসার দাবিদার । যুক্তরাজ্য প্রবাসী আব্দুস শহীদ বলেন আমি বিদেশ যাওয়ার আগে আমার এলাকাবাসী আমাকে ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি বানিয়ছিলেন, আমি প্রবাসে চলে যাওয়ায় তাদের উপযুক্ত সেবা করতে পারিনি কিন্তু আমি মনে মনে শপথ নিয়ে ছিলাম প্রবাস জীবনের কর্ষ্টাজিত অর্থ দিয়ে সর্বপ্রথম এলাকার উন্নয়নে কাজ করব ,সে ন্বপ্ন বাস্তবায়নে সর্বপ্রথম আজকের মসজিদ টি নির্মানের পরিকল্পনা গ্রহন করি প্রায় আড়াই বছর আগে, আল্লাহর অপার কৃপায় এবং এলাকাবাসীর আন্তরিক সহযোগিতা সবার সমন্বীত প্রচেষ্টায় আমার স্বপ্ন আজ বাস্তবে রুপ নিয়েছে। প্রবাসী সেবক মিয়া বলেন, প্রবাস জীবনের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে এমন মনোরম মসজিদ বানানোর কাজে শরীক হতে পেরেছি বলে নিজেকে গর্বিত মনে করছি, প্রায় দুইকোটি টাকা ব্যয়ে আড়াই বছরে আমরা গ্রামের সবাই মিলে মসজিদটি নির্মাণ করেছি, এছাড়া আমাদের প্রবাসীদের অর্থায়নে গ্রামের কবরস্থান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়ন,এবং কয়েকটি রাস্তা নির্মান করি, এলাকার উন্নয়ন কাজে আমি সব সময় নিজেকে নিবেদিত রাখব।আলোচনা সভা শেষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় । দোয়া পরিচালনা করেন মসজিদের পেশ ইমাম মা. আব্দুল সালাম।

Related Articles

Back to top button