

আহমেদ বকুল: ডাক্তার নাজরা চৌধুরি হবিগঞ্জ নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পত্র ক্রয় করেছেন। নৌকা প্রতীক পেলে তিনি এই আসন থেকে নির্বাচন করতে প্রস্তুত।
হবিগঞ্জ এলাকায় ডাক্তার নাজরা চৌধুরীর প্রচুর জনপ্রিয়তা রয়েছে । এলাকার মানুষ তাকে ও তার পরিবারকে ভালোবাসে । এলাকার সুখে দুঃখে তিনি সব সময় মানুষের পাশে থাকেন।
যদি তিনি আওয়ামী লীগ থেকে মনোনীত হন তাহলে তার অবস্থান ও আওয়ামী লীগের অবস্থান আরো সুদৃঢ় হবে।
নাজরা এক জন আওয়ামী লীগের নিবেদিতপ্রাণ কর্মী তিনি তার নির্বাচনী এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন দীর্ঘদিন থেকে।
ডাক্তার নাজরা হবিগঞ্জের এক ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান। তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সামাজিক অবস্থান অত্যন্ত সুদৃঢ়ও। আমেরিকায় নিজস্ব চিকিৎসা পেশা ও ব্যবসা ছেড়ে এসে তিনি দীর্ঘদিন থেকে বাংলাদেশে তার নিজ এলাকার উন্নয়নে অবদান রাখছেন । কখনো সামাজিক কর্মকান্ড এবং রাজনৈতিক কর্মকান্ড থেকে এক মুহূর্ত নিজেকে বিরত রাখেন নি।
১৯৭৩ সালে বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের ১০ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে নাজরা চৌধুরীর মাতা আবেদা চৌধুরী ছিলেন অন্যতম সংসদ সদস্য। তিনি আওয়ামী লীগ রাজনীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন তিনি ১৯৬৯ সালে জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা করে সভানেত্রী দায়িত্ব পালন করেন । নাজরা চৌধুরীর পিতা একজন নিবেদিত প্রাণ আওয়ামী লীগ নেতা। নাম ইসমত আহমদ চৌধুরী। ১৯৭০ ও ৮৬ সালে হবিগঞ্জের নির্বাচনী এলাকা থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে বিজয়ী হয়ে অত্যন্ত সুনামের সাথে তাঁর নিজ দায়িত্ব পালন করেন ।
তার দায়িত্ব পালন কালীন সময় এলাকার অনেক উন্নয়ন সাধন করেছেন। একজন আইনজীবী হিসেবেও তার যথেষ্ট সুখ্যাতি রয়েছে। আবেদা চৌধুরী ও ইছমত আহমদ চৌধুরী ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক।
ইসমত আহমদ চৌধুরীর পিতা জনাব মোদাব্বির হোসেন চৌধুরী ছিলেন একজন তুখুড় রাজনীতিবিদ।
১৯১৯ থেকে ২৯ সাল পর্যন্ত তিনি হবিগঞ্জ লোকাল বোর্ডের চেয়ারম্যান (বর্তমান জেলা পরিষদ) হিসেবে সুনাম এর সাথে দায়িত্ব পালন করেন । ১৯২৯ থেকে ৫৪ সাল পর্যন্ত তিনি আসাম প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য ছিলেন।
নাজরা চৌধুরী সুনামগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন, জেলা পরিষদ নির্বাচন, হবিগঞ্জ -সুনামগঞ্জ বিয়ানীবাজার ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচন, বাহুবল নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর জন্য দিনরাত খেটেছেন ঠিক তেমনি ইউপি নির্বাচনে তিনি দলীয় প্রার্থীর জন্য গ্রামেগঞ্জে চষে বেরিয়েছেন।
কয়েক মাস আগে হয়ে যাওয়া ফেঞ্চুগঞ্জ মাইজগাও ইউপি নির্বাচনে ডাক্তার নাজরা দলীয় প্রার্থীর পক্ষে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। আওয়ামী লীগের এই নিবেদিতপ্রাণ নেত্রীর একমাত্র লক্ষ্য হচ্ছে দলের তৃণমূল পর্যায়ে শক্ত অবস্থান তৈরি করা । এজন্য তিনি নিজের ব্যক্তি স্বার্থের কথা চিন্তা না করে কাজ করে এগিয়ে চলেছেন।
আসন্ন জাতীয় সংসদসংসদ নির্বাচনে নাজরা চৌধুরী হবিগঞ্জ আসন থেকে মনোনয়নপত্র ক্রয় করেছেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী।
সোনার বাংলার সিনিয়র প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে নাজরা বলেন, আমি হবিগঞ্জ
নির্বাচনী এলাকা থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে চাই, এর জন্য আমি মনোনয়ন পত্র খরিদ করেছি। এই আসনে জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি আমাকে মনোনীত করেন তাহলে আমি তা সাদরে গ্রহণ করব।
তবে সবকিছু নির্ভর করছে নেত্রীর উপর । নেত্রী যাকে মনোনীত করবেন তা মেনে নিয়ে নৌকার পক্ষে কাজ করে যাব । অতীতে নৌকার পক্ষে যেমন কাজকরেছি বর্তমানে ও তার কোন ব্যত্যয় হবে না। আমি আমার এলাকার জনগণের পাশে আগেও ছিলাম এখনো আছি ভবিষ্যতেও থাকব।
উল্লেখ্য, সোনার বাংলা পোর্টালে সম্প্রতি ডাক্তার নাজরা চৌধুরীর উপর একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করলে তা পাঠক প্রিয়তা পায় এবং অনেক শেয়ার হয়।
আগের নিউজটি পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন…
http://dailysunarbangla.com/1630/




