সিলেটে মেয়েদের চেয়ে ছেলেরা এগিয়ে!


ডেস্ক রিপোর্ট : এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রকাশিত হয়েছে। সিলেট শিক্ষাবোর্ডে এবার পাশের হার ৮০ দশমিক ২৬ ভাগ। প্রকাশিত ফলাফলের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, পাশকৃত শিক্ষার্থীর সংখ্যা, পাশের হার, জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা সবদিক থেকেই এগিয়ে রয়েছে ছেলেরা। অবশ্য, গত কয়েক বছর ধরে সিলেট বোর্ডে ছেলেরা ধারাবাহিকভাবে ফলাফলে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রেখেছে।
সিলেট শিক্ষাবোর্ডের গত পাঁচ বছরের তুলনামূলক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এবার এ বোর্ডে ৪১ হাজার ৬২৬ জন ছেলে শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। তন্মধ্যে পাশ করেছে ৩৩ হাজার ৬৫৫ জন; পাশের হার ৮০ দশমিক ৮৫। ছেলেদের মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৪২৭ জন।
এদিকে, এবার সিলেট বোর্ডে ৫২ হাজার ২৮৯ জন মেয়ে শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে পাশ করেছে ৪১ হাজার ৭১৯ জন। তাদের পাশের হার ৭৯ দশমিক ৭৯। মেয়েদের মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ১২৩৬ জন।
সিলেট শিক্ষাবোর্ডের সর্বশেষ পাঁচ বছরের ফলাফলের পরিসংখ্যান বলছে, এ বোর্ডে ছেলে শিক্ষার্থীরা ধারাবাহিকভাবেই শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রেখেছে।
পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১৩ সালে সিলেট শিক্ষাবোর্ডে ছেলে পরীক্ষার্থী ছিল ২৫ হাজার ৯৪২ জন। তন্মধ্যে পাশ করে ২৩ হাজার ৪৮৮ জন। তাদের পাশের হার ছিল ৯০ দশমিক ৫৪ এবং জিপিএ ৫ পেয়েছিল ১৬৮৩ জন। অন্যদিকে, মেয়ে পরীক্ষার্থী ছিল ৩২ হাজার ৫৬৪ জন। তন্মধ্যে পাশ করে ২৮ হাজার ৫৫৭ জন। তাদের পাশের হার ছিল ৮৭ দশমিক ৭০ এবং জিপিএ ৫ পেয়েছিল ১১০৬ জন।
২০১৪ সালে সিলেট বোর্ডে ৩০ হাজার ১৭৪ জন ছেলে শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে পাশ করে ২৭ হাজার ৩৯৯ জন। তাদের পাশের হার ছিল ৯০ দশমিক ৮০, জিপিএ ৫ পেয়েছিল ১৭৩২ জন। সেবার মেয়ে পরীক্ষার্থী ছিল ৩৭ হাজার ৯১১ জন। তন্মধ্যে পাশ করে ৩৩ হাজার ৩৫১ জন। তাদের পাশের হার ছিল ৮৭ দশমিক ৯৭, জিপিএ ৫ পেয়েছিল ১৬০৯ জন।
সিলেট শিক্ষাবোর্ডে ২০১৫ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩২ হাজার ৪১৩ জন ছেলে শিক্ষার্থী। তন্মধ্যে পাশ করে ২৬ হাজার ৯৬৬ জন, পাশের হার ছিল ৮৩ দশমিক ০২ এবং জিপিএ ৫ পেয়েছিল ১৩৩৮ জন। অন্যদিকে, মেয়ে পরীক্ষার্থী ৩৯ হাজার ৬১১ জনের মধ্যে পাশ করে ৩১ হাজার ৯৬৬ জন। তাদের পাশের হার ছিল ৮০ দশমিক ৭০, জিপিএ ৫ পেয়েছিল ১১১৪ জন।
গতবছর, ২০১৬ সালে সিলেট বোর্ডে ৩৭ হাজার ৬৭২ জন ছেলে শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাশ করে ৩২ হাজার ৩১৮ জন। পাশের হার ছিল ৮৫ দশমিক ৭৯ এবং জিপিএ ৫ পেয়েছিল ১২২৫ জন। সেবার ৪৬ হাজার ৭৭৬ জন মেয়ে শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে পাশ করে ৩৯ হাজার ২৬৮ জন। তাদের পাশের হার ছিল ৮৩ দশমিক ৯৫ এবং জিপিএ ৫ পেয়েছিল ১০৪১ জন।




