লিড নিউজসিলেট

সিলেটের ঈদ বাজার | ক্রেতারা ঘুরছেন, কিনছেন কম

বিশেষ প্রতিবেদক  :: ঈদকে সামনে রেখে সিলেট নগরীর বিভিন্ন শপিংমল, মার্কেট, বস্ত্রবিতান। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে নানান সাজে সাজানো হয়েছে মার্কেটগুলো।

তব্ও বাইরে েবাইরে ক্রেতাদের আনাগোনা দেখা গেলেও এখনো জমে উঠেনি সিলেটের ঈদবাজার। এখনো ঈদের ১৪ দিন বাকী। বিভিন্ন মার্কেট, শপিংমল, বিপনীবিতান ঘুরে দেখা গেছে এ চিত্র। ব্যবাসীরা বলছেন দুই এক দিনের মধ্যে জমে উঠবে ঈদবাজার।
বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে আছে দেশী-বেদেশী বাহারি পোশাক পাঞ্চু, মুড়ি, ফেইসবুক, পাকিস্তানি লং ড্রেস, কাশ্মিরী শাড়ী, সুপারস্লিক, গাদুয়াল, স্লিকাতান, মিরপুরী কাতান, টাঙ্গাইল শাড়ী, জামদানী সহ নানান ধরনের পোশাক নিয়ে পসরা সাজিয়ে বসে আছেন ব্যবসায়ীরা।
জিন্দাবাজারের টপ সেভেন এর ব্যবাসায়ী আসাদুজ্জামান খান জুয়েল বলেন, গতবছর দশ রোজার পর থেকে ঈদবাজার জমেছে। কিন্তু এবার ১৫ রোজা অতিবাহিত কিন্তু এখনো জমে উঠেনি ঈদবাজার। তিনি বলেন, ৫জুনের পর থেকে জমে উঠবে ঈদবাজার।
ব্যবসায়ীরা জানান, দেশীয় পোশাকের পাশাপাশি রয়েছে কাশ্মিরী, ভারতীয়, পাকিস্তানি নামি দামি ব্র্যান্ডের পোশাক। ব্যবাসীরা বলছেন নারীদের প্রথম চাহিদা ভারতীয় কাপড়ের প্রতি বেশি ঝুকি তাকাই মার্কেটগুলোতে ভারতীয় কাপড়ের চাহিদা বেশি। তবে দু’একদিনের মধ্যে জমে উঠবে বলে ধারণা করছেন ব্যবসায়ীরা।
ভারতের নামিদামি ব্র্যান্ড ও জনপ্রিয় সিরিজ নাটকের নায়িকাদের নামানুসারে পোশাকগুলো দখল করে রেখেছে ঈদের বাজার। তাতেই নারী-তরুণীরা বেশি যুকছেন। ঈদবাজারে নারী, তরুণীরা ভারতীয় ড্রেস, পাকিস্তানি লং ড্রেস, কাশ্মিরী, বাংলাদেশী কাতান, জামদানী, টাঙ্গাইল শাড়ীর প্রতি তাদের আর্কশন বেশি থাকে। নারী-তরুণীরে প্রথম চাহিদা ভারতীয় শাড়ী- ড্রেস। তাছাড়াও পুরুষদের চাহিদা রয়েছে পাঞ্জাবি, সার্ট, পেন্টের প্রতি। ভারতীয় পোশাকের দাপট থাকলেও দেশী পোশাকেরও চাহিদাও রয়েছে ব্যাপক।
ড্রেস লাইনের সত্ত্বাধিকারী মুন্না আহমেদ জানান, তরুণী ও শিশুদের জন্য রয়েছে আকর্শনীয় ভারতীয় ও দেশী ড্রেস। ফেইসবুক, পাঞ্চু, পেপারস্লিক, মুড়ি সহ রয়েছে নানান পোশাক। চাহিদার তুলনায় এখও বেচাকেনা কম।
ভারতীয় পেপার স্লিক হাজার ৬৫০০টাকা থেকে ৭৫০০টাকা ও দেশী পেপার স্লিক ৩হাজার থেকে ৫৫০০টাকা, চুন্ডি প্রিন্ট ২৫০০টাকা থেকে ৩হাজার টাকা, ফেইসবুক ভারতীয় ৫হাজার থেকে ৬হাজার টাকা ও দেশী ফেইসবুক ৩হাজার থেকে ৬হাজার টাকা, পাঞ্চু ভারতীয় ৬হাজার থেকে ৭হাজার ও দেশীয় পাঞ্চু ৩হাজার থেকে ৪হাজার টাকা, শিশুদের আকর্শনীয় ড্রেস মুড়ি ১ হাজার থেকে ১৫শত টাকা ও পাঞ্চু ১৫শত থেকে ২হাজার টাকা পর্যন্ত।
এছাড়াও রয়েছে পাকিস্তানি ও কাশ্মিরী কিছু নিত্যনতুন ডিজাইনের পোশাক ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছে।
রয়েছে এইক নামে দেশী-বিদেশী ড্রেস।
মল্লিকা শাড়ীর সত্ত্বাধিকারী মো: ফয়েজ উদ্দিন জাননা, গাদুয়াল, সুপারস্লিক কাশ্মিরী, স্লিকাতান শাড়ীসহ দেশী মিরপুর কাতান, জামদানী, টাঙ্গাইল শাড়ী রয়েছে তার দোকানে।
গাদুয়াল শাড়ী ৭হাজার থেকে ১৫হাজার টাকা, সুপারস্লিক ৭ হাজার থেকে ১২হাজার টাকা, কাশ্মিরী ৯৫০০-১৫০০০হাজার টাকা, স্লিককাতান, ৭হাজার থেকে ৮হাজার টাকা ও দেশী শাড়ীর মধ্যে মিরপুরী কাতান ১৫০০ থেকে ৬হাজার টাকা, জামদানী ৫ হাজার থেকে-৭হাজার ও টাঙ্গাইল শাড়ী ১৫০০ থেকে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত। তিনি বলেন দামী দামী শাড়ী থাকলে সেই পরিমান ক্রেতা নেই। তিনি বলেন, শীঘ্রই জমে উঠবে ঈদবাজার।

Related Articles

Back to top button