দুপুরে খেয়েছিলেন লাঠিপেটা, রাতে খেলেন মামলা


নিউজ ডেস্কঃ গাজীপুরে বিএনপির প্রায় সাড়ে তিনশ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে জয়দেবপুর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। রোববার রাতে জয়দেবপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আর্শাদ মিয়া বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নাল আবেদীন ফারুক, বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক মিলন, সাধারণ সম্পাদক কাজী ছাইয়েদুল আলম বাবুল, কেন্দ্রীয় সদস্য ডা. মাজহারুল আলম, পৌর বিএনপির সভাপতি মীর হালিমুজ্জামান ননী, সাধারণ সম্পাদক হান্নান মিয়া হান্নু, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি সালাহ উদ্দিন সরকার, বিএনপি নেতা শাখাওয়াৎ হোসেন সবুজ, শওকত হোসেন সরকার, সুরুজ আহমেদ, জয়নাল আবেদীন তালুকদার, শ্রীপুর থানা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান ফকির, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইজাদুর রহমান মিলন, বিএনপি নেতা নাহীন আহমেদ মমতাজী, ট্রাস্ট কমিউনিটি সেন্টারের চেয়ারম্যান মো. ইসমাইল হোসেনসহ গাজীপুরের বিভিন্ন উপজেলার বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের ১৪৭ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া মামলায় আরো ১৫০ থেকে ২০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
রোববার দুপুরে ট্রাস্ট কমিউনিটি সেন্টারে বিএনপির ওই যৌথ সভাকে কেন্দ্র করে ‘দুইপক্ষের নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও হামলা, ভাঙচুরের’ অভিযোগ এনে সেদিন রাতে পুলিশ বাদী হয়ে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫ (৩) ও ২৫ (ঘ) ধারায় মামলা করেন। মামলায় আটক ১৭ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
রোববার দুপুরে গাজীপুর শহরের ট্রাস্ট কমিউনিটি সেন্টারে গাজীপুর জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত যৌথ সভার শেষের দিকে পুলিশ নেতাকর্মীদের বেধড়ক লাঠিপেটা করে। এতে অন্তত ২৫ নেতাকর্মী আহত হয়। ১৭ জনকে আটক করে পুলিশ। সোমবার বিকেলে আটককৃতদের গাজীপুর আদালতে নেওয়া হলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
সুত্র: NTV




