নগরীর শামীমাবাদে জুয়া ও অসামাজিক আসর গুড়িয়ে দিয়েছে জনতা


নিউজ ডেস্ক : সিলেট নগরীর শামীমাবাদে জুয়া ও অসামাজিক আসর গুড়িয়ে-পুড়িয়ে দিয়েছে স্থানীয় জনতা। শুক্রবার সন্ধ্যারাতে শামীমাবাদের কানিশাইল রোডের এ আসর গুড়িয়ে দেয়া হয়। এলাকার শত শত যুব ও গন্যমান্য লোকজন আসর উচ্ছেদে অংশ নেন। পরে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সির অ্যাডভোকেট সারেহ আহমদ চৌধুরী এসে উচ্ছেদকারীদের সাথে একাত্মতা ঘোষনা করেন।
এলাকাবাসী জানান, নগরীর শামীমাবাদ কানিশাইল রোডস্থ খান সেন্টারের নিকটবর্তী যুক্তরাজ্য প্রবাসীর একখন্ড ভ’মি রয়েছে। এই ভূমিতে একচালা টিনের দুটি ঘরের কেয়ারটেকার সিলেটের গোলাপগঞ্জের লাভলু ও হান্নান। পরিত্যাক্ত এ দুটি ঘরে লাভলু, হান্নান ও ঘাসিটুলা বেতুয়ারপারের সাজু প্রতিদিনই তীরখেলা নামের জুয়া ও অসামাজিক আসর বসায়। দীর্ঘপ্রায় ৬মাস ধরে তারা এ আসর বসিয়ে অপকর্ম চালিয়ে আসছিল। এলাকার লোকজন বারবার তাদের বাঁধা দিলেও তারা লামাবাজার ফাঁড়ি পুলিশকে ম্যানেজ করে দিব্যি এ আসর চালিয়ে আসছিল। এতে করে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন স্থানীয় জনতা। প্রতিদিনের মত শুক্রবার সন্ধ্যারাতে তীরখেলা ও জুয়ার আসর বসালে স্থানয়ি শত-শত যুবক এসে আসরে হামলা চালায়। এসময় আসর পরিচালনাকারী লাভলু,হান্নান ও সাজু দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় জনতা আসরের দুটি টিনের ঘর গুড়িয়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলেন এবং জুয়া-অসামাজিকতার বিরুদ্ধে শোডাউন করেন।
উচ্ছেদে নেতৃত্ব দেন শামামাবাদস্থ খান সেন্টারের স্বত্বাধিকারী জসিম উদ্দিন,ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা শাহীনুর আহমদ শাহীন, আব্দল মালেক জগলু, আশরাফুল ইসলাম সোহেল, কানিশাইল রোড ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নাজমূল হোসেন মজনু, সাগর ও ফয়জুল। উচ্ছেদ শেষে এলাকাবাসী জুয়া ও অসামাজিকতা বিরোধী মিছিল বের করেন। মিছিলে অংশ নেন সিলেট সিটির ১০ ওয়ার্ড কাউিন্সিলরর অ্যাডভোকেট সালেহ আহমদ চৌধুরীসহ যুবসমাজ ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।




