

এম.এস.ইউ রানা, বিছনাকান্দি থেকে ফিরে: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পর্যটন এলাকায় ও হিজড়াদের উৎপাত শুরু হয়েছে। প্রতিনিয়তই হয়রানীর শিকার হচ্ছেন পর্যটকসহ নানা ধরণের মানুষ।
বিছনাকান্দি পর্যটন কেন্দ্রে ঘুরে দেখা যায়, সমাজে তৃতীয় লিঙ্গ অর্থাৎ আমরা যাকে হিজড়া বলে চিনি তাদের দুইজনের গ্রুপ মিলে ঘুরতে আসা পর্যটকদের হয়রানি করছে।
স্থানীয় মাঝিরা সিলেটমিডিয়াকে বলেন এই হিজড়া নামটা দিন দিন সকলের কাছে ত্রাসে পরিনত হচ্ছে। বর্তমানে হিজড়া মানেই একটা লাইসেন্স ধারী সন্ত্রাস।
তারা প্রতিদিন বিছনাকান্দি পর্যটন স্পটে ছেলেদের সাথে বাজে ভাষায় কথা বলতে শুরু করে, নিরিহ পর্যটক বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়। যারা গা ভেজানোর জন্য পানিতে নামের টাকা পয়সা সঙ্গে রাখেন না তাদেরকে বেশ অপমান করে যায়।

এদের সাথে পেরে উঠা মুসকিল না গায়ের জোরে না মুখের জোরে, মুখের ভাষা শুনলে কোন ভদ্র মানুষ সেখানে এক সেকেন্ডও দাঁড়িয়ে থাকতে পারবে না।
এদের দেখলেই সকলে ভয় পায়। দর্শনীয় স্থানে মানুষ যায় আনন্দের জন্য সেখানে যদি কেউ বিরক্ত করে ব্যপারটা মোটেই ভালো দেখায়না।
সিলেট ট্যুরিষ্ট ক্লাবের জেনারেল সেক্রেটারি শাহিন আহমেদ সিলেটমিডিয়াকে বলেন, বাংলাদেশ সরকার থার্ড জেন্ডার স্বীকৃতি প্রদান করার পর সরকার থেকে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পেয়ে থাকে। তাই এখন তারা পর্যটন কেন্দ্রে চাঁদাবাজি করা উচিত নয়।
আমি শীঘ্রই সিলেট হিজড়া সুন্দরী গ্রুপ প্রধান রুমা সুন্দরীর সাথে কথা বলে সমাধান করবো।
এদিকে এডিশোনাল এস পি পর্যটন পুলিশ এ.কে.এম. মোশাররফ হোসাইন সিলেট মিডিয়াকে বলেন, এ ব্যাপারে কেউ অভিযোগ করেনি, তবে আমরা বিষয়টা বিবেচনায় রাখলাম, শীঘ্রই পদক্ষেপ নিব আমরা। পর্যটন স্পটে পর্যটকদের বিরক্ত করবে হিজড়ারা তা মেনে নেয়া যায় না।




