উল্লেখযোগ্যসারাদেশ

এবার বরের কাছে থেকে নববধূ ছিনতাই!

সিলেটমিডিয়াডেস্ক: বিয়ে করে বউ নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে নববধূকে ছিনতাই করার ঘটনা ঘটেছে রাজধানীতে। কারা এই কাজ করেছে সেটা জানা যায়নি। তবে পুলিশের ধারণা, ছিনতাই হওয়া বধূর সঙ্গে হামলাকারীদের পরিচয় থাকতে পারে।

শুক্রবার রাজধানীর উত্তরার দক্ষিণখান থানার সদর পাড়ার প্রেমবাগান এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ জানায়, আগের দিন পূর্ব মোল্লারটেক এলাকার ১৮ বছর বয়সী মেয়েটির সঙ্গে বরিশালের আশিক ইমতিয়াজের বিয়ে হয়।

শুক্রবার ইমতিয়াজ তার স্ত্রী ও বরযাত্রীদের নিয়ে একটি মাইক্রোবাসে করে বরিশালের উদ্দেশে রওনা দেন। পথে মোল্লারটেক হাজি মার্কেটের সামনে চার-পাঁচটি মোটরসাইকেলে এসে মাইক্রোবাসের গতিরোধ করে কনেকে নিয়ে যায়।

এই বিষয়ে থানায় এখনও কোনো অভিযোগ জমা পড়েনি। তবে ঘটনাটি জানতে পেরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীটি অনুসন্ধান শুরু করছে। আর অনুসন্ধান শেষে বিস্তারিত জানানোর কথা জানিয়েছে পুলিশ।

প্রত্যক্ষদর্শী একজন জানান, প্রেমবাগান এলাকায় হাজী মার্কেটের পাশে কনের বাড়িতেই বিয়ে পড়ানো হয়েছিল। বিয়ে শেষে বউ নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে গাড়ি কিছুটা আগাতেই হামলা হয় গাড়িতে।

‘প্রথম দিকে লাঠি দিয়ে গাড়ির কাঁচ ভাঙার চেষ্টা করে যুবকরা। সেটা না পারায় পরে ইট দিয়ে কাঁচ ভাঙা হয়’-বলছিলেন ওই প্রত্যক্ষদর্শী।

‘পরে জানলা দিয়ে হাত ঢুকিয়ে দরজা খুলে কনেকে বের করে মোটর সাইকেলে তুলে নিয়ে চলে যায় ওরা।’

এ সময় নববধূ বাধা দেয়ার চেষ্টা করেনি বলেও নিশ্চিত করেছেন ওই প্রত্যক্ষদর্শী।

জানতে চাইলে দক্ষিণখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তপন চন্দ্র সাহা জানান, বিকালে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এক যুবক বিয়ে করে বউ নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে এই ঘটনা ঘটে।

ওসি বলেন, ‘নববধুকে কে বহনকারী হাইচ মাইক্রোবাস দক্ষিণখান সদর পাড়ার প্রেমবাগান এলাকায় হঠাৎ চার থেকে পাঁচটি মোটরসাইকেল তাদের গতিরোধ করে। পরে তারা গাড়ির গ্লাস ভেঙে ওই নববধূকে তুলে নিয়ে যায়।’

পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘এ বিষয়ে কেউ এ বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ করেনি। আমরা নিজেরাই মাঠে নেমেছি। তবে এখন বিস্তারিত জানানো যাচ্ছে না। পরে জানাব।’

‘তবে ওই নববধূর বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বন্ধু এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। প্রেম ঘটিত কারণে এটা ঘটতে পারে বলে।’
তবে কিসের ভিত্তিতে এই অনুমান করছেন, সে কথা জানাননি দক্ষিণখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

Related Articles

Back to top button