মৌলভীবাজারে কলেজছাত্রীর ওপর হামলা: আটক ১


নিউজ ডেস্ক :: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে এক কলেজছাত্রীর ওপর হামলার অভিযোগে এক কিশোর বখাটেকে আটক করা হয়েছে। তার নাম নওশাদ মিয়া (১৭)। সে কমলগঞ্জ পৌরসভার আলেপুর গ্রামের রোস্তম মিয়ার ছেলে।
এসময় জাকারিয়া হাবিব (২৫) নামের এক ছাত্রলীগ নেতা পালিয়ে গেছেন। জাকারিয়া আদমপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক।
শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে কমলগঞ্জ গণ মহাবিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
কমলগঞ্জ থানার ওসি মো. বদরুল হাসান জানিয়েছেন ‘কলেজছাত্রীকে মারধর করায় ছাত্রলীগ নেতাকে প্রধান আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে।’
ওই ছাত্রলীগ নেতা উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের জালালপুর গ্রামের আব্দুল খালিকের ছেলে। তার মামা কমলগঞ্জ সদর ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান।
কলেজছাত্রী তানিয়া আক্তার কমলগঞ্জ পৌরসভার রামপাশা গ্রামের রইছ মিয়ার মেয়ে।
তানিয়ার ভাই আশিকুর রহমান বলেন, ‘বেশ কিছুদিন ধরে বখাটে জাকারিয়া আমার বোনকে নানাভাবে উত্ত্যক্ত করছিল। বিষয়টি জাকারিয়ার বাবা আব্দুল খালিককে জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিশোধ নিতেই তিন সহযোগীসহ আমার বোনের ওপর হামলা চালিয়েছে।’
কলেজের শিক্ষার্থীরা জানান, শুক্রবার দুপুরে তানিয়া ক্লাস থেকে বের হয়ে কলেজের বারান্দায় গেলে ছাত্রলীগ নেতা জাকারিয়া অতর্কিতভাবে তাকে কিল-ঘুষি মেরে মাটিতে ফেলে দেয়। সে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তাকে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়।
পরে তানিয়ার সহপাঠীরা ক্লাস থেকে বেরিয়ে ধাওয়া করলে ছাত্রলীগ নেতা জাকারিয়া মোটরসাইকেল করে পালিয়ে যায়।
এসময় ছাত্রলীগ নেতার সহযোগী নওশাদ মিয়াকে ধরে পুলিশের কাছে দেয়া হয়।
কমলগঞ্জ গণ-মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ কামরুজ্জামান মিঞা বলেন, ‘প্রথমে ছাত্রীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। পরে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করি। খবর পেয়ে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ এসে ধরে রাখা এক বখাটেকে আটক করে।’
কমলগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রাহাত ইমতিয়াজ (রিপুল) বলেন, ‘ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রমাণ পেলে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’




