জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে কাজিরবাজার মাদরাসার উদ্যোগে বিক্ষোভ


নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর, জামেয়া মাদানিয়ার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল আল্লামা হাবীবুর রহমান বলেছেন, মানবতার ধর্ম পবিত্র ইসলামকে কলুষিত করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসাবেই আমাদের দেশে জঙ্গী হামলা চলছে। যারা জঙ্গীবাদে জড়িত তারা দেশ, জাতি ও ইসলামের শত্রু, আমাদের ধর্ম ইসলামে অনর্থখ একটি পিপীলিকা হত্যারও আধিকার নেই। অথচ এরা ইসলাম প্রতিষ্ঠার নাশে নিরীহ মানুষ হত্যা করছে। মূলতঃ এদের উদ্দেশ্য ইসলাম প্রতিষ্ঠা নয়, ইসলামকে হেয় করা। তাই দেশ, জাতি ও ইসলামের স্বার্থে এদের রুখতে কাদা ছোড়া ছোড়ি না করে, জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। সর্বাত্মক গণঐক্যের মাধ্যমে এদের প্রতিহত করতে হবে।
প্রিন্সিপাল হাবীব বলেন, সম্প্রতি সিলেট ও মৌলভীবাজারে কয়েকটি জঙ্গী আস্তানা খুঁজে পাওয়ায় মনে হয় আমাদের সিলেট অঞ্চলকে জঙ্গীরা বিশেষ টার্গেট করেছে। তাই সিলেটের আলেম, ওলামা ও সচেতন এলাকাবাসীকে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি জঙ্গী বিরোধী অভিযানে প্রাণহানী না ঘটায় মহান আল্লাহর শোকরিয়া আদায় করে দেশের সেনাবাহিনী ও আইনÑশৃংখলা বাহিনীর প্রতি মোবারকবাদ জানিয়ে বলেন, প্রকৃত কোন মুসলমান জঙ্গী কাজে জড়িত হতে পারেনা। কওমী মাদরাসা সমূহে ইসরামের মৌল চেতনা শিক্ষা দেয়া হয়। তাই এ কথা আজ দিবালোকের ন্যায় সুস্পষ্ট হয়েছে মাদরাসা থেকে কোন জঙ্গী সৃষ্টি হয় না। অথচ আধুনিক শিক্ষিতরা জঙ্গীবাদে জড়িয়ে পড়ছে। এর কারণ হচ্ছে ইসলামের মূল শিক্ষা না থাকা, তাই সর্বস্তরে ইসলামী শিক্ষা বাধ্যতা মূলক করতে হবে।
তিনি গতকাল ২ এপ্রিল সিলেটের ঐতিহ্যবাহী জামেয়া মাদানিয়া কাজির বাজারের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত জঙ্গীবাদ বিরোধী বিশাল বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। বিকেল ৩টায় জামেয়া চত্বর হয়ে মিছিল শুরু হওয় নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে বহু আলেম, উলামা ও বিভিন্ন মাদরাসার ছাত্ররাও অংশ গ্রহণ করেন।
জামেয়ার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা সামিউর রহমান মুসার সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সোনাসার মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা রেজাউল করিম জালালী, মজুমদারপাড়া মাদরাসার মুহতামীম মাওলানা মুজাম্মিল হুসেন, মাওলানা সিরাজুল ইসলাম সিরাজী, জামেয়ার মুহাদ্দিস মাওলানা শাহ মমশাদ আহমদ, পীর মহল্লা মাদরাসার মুহতামীম মাওলানা পীর আব্দুল জব্বার, মাওলানা মুজাম্মিল, আলহাজ¦ মাওলানা এমরান আলম, মাওলানা হাজী আব্দুল কাইয়ুম, মাওলানা মুশফিকুর রহমান মামুন, ছাত্রনেতা তারেক বিন হাবীব, মাওলানা সালেহ আহমদ শাহবাগী, মাওলনা তোফায়েল আহমদ ওসমানী, মাওলানা বাহাউদ্দিন বাহার, হাজী আব্বাছ জালালী, হাফিজ কয়েছ আহমদ, জামেয়ার ছাত্র সংসদের জি.এস রাজু আমীন, এ.জি.এস মিজানুর রহমান, অর্থ সম্পাদক নুর আহমদ সুমন, মাশহুদুর রহমান, আতাউর রহমান, হাফিজ এখলাছ ফরুক, ফখরুল ইসলাম, আমজাদ হুসাইন প্রমুখ।




