লিড নিউজসারাদেশ

চাচার ধর্ষণে ভাতিজি অন্তঃসত্ত্বা! অতঃপর

নিউজ ডেস্ক: কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে মা হাসপাতালে থাকার সুযোগে আপন চাচার ধর্ষণে ভাতিজি অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষিতা ৮ মাসের গর্ববতী বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ধর্ষিতার পিতা বাদী হয়ে শনিবার নাঙ্গলকোট থানায় মামলা দায়ের করলে রবিবার সকালে ধর্ষক সোহেল (৪৫) স্বেচ্ছায় নাঙ্গলকোট থানায় আত্মসমার্পণ করে।

ধর্ষণে অভিযুক্ত চাচা সোহেল উপজেলার বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের হেসিয়ারা গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে। আত্মসমার্পনের সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন। তাকে দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লার কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

মামলা ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ধর্ষিতার মা ক্যান্সার আক্রান্ত হলে গত ১৪ নভেম্বর কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মায়ের চিকিৎসা নিয়ে কয়েকদিন কুমিল্লায় ব্যস্ত থাকেন তার বাবা-ভাইসহ পরিবারের লোকজন। বাড়িতে একা ছিলেন ধর্ষিতা মেয়েটি। এ সময় চাচা সোহেলের ধর্ষণে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বর্তমানে ৮ মাসের গর্ভবতী মেয়েটি। মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে ধর্ষিতার ক্যান্সার আক্রান্ত মা রমজান মাসে হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয় বলে দাবি করে পরিবার।

এ ঘটনায় শনিবার ওই ধর্ষিতার পিতা বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় মামলা করলে রাতেই মামালার তদন্ত কর্মকর্তা নাঙ্গলকোট থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আখতার হোসেন সঙ্গীয় ফৌর্সসহ আসামিকে গ্রেপ্তারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করেন। পরে রবিবার সকালে স্থানীয় ইউপি মেম্বারের সহযোগিতায় সোহেল থানায় আত্মসমর্পণ করেন।

এ ব্যাপারে নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ধর্ষিতা মেয়েটির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। আসামি সোহেল আত্মসমর্পণ করলে রবিবার সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। ভিকটিমকে পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট আসলে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলা যাবে।

Related Articles

Back to top button