মেয়ে আদিবাকে হারিয়ে বাবার শেষ ভরসা ছোট্ট ছেলে


ফাহাদ মারুফ: ট্রেন দূর্ঘটনায় মেয়েকে হারিয়ে ছেলের ভালোবাসায় আপ্লুত আহত বাবা।
মেয়ের শোকে কাথর হয়ে নিথর দেহে হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছেন বাবা ও মা। মা- বাবার সান্তনা আর একমাত্র ভরসা হল এখন বেচে থাকা ছোট্ট ছেলেটি।
মেডিকেলের বিছানায়, ছোট্ট ছেলেটা বাবার
হাত ধরে বাবাকে সান্তনা দিচ্ছে বোন হারানো ভাই।
বলছি হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার নিহত হওয়া আদিবার কথা।
স্বপ্ন দেখে ৭ বছরের তরুণ!
পরীক্ষা দিল ছেলে!
মুখ খুললেন মিথিলা
টাকার বদলে বই নিলেন স্ত্রী!
সোমবার দিবাগত রাতে এমন নিরাপত্তার মধ্যেই শিশু আদিবা উদয়ন ট্রেনে করে চট্টগ্রাম যাচ্ছিল। হঠাৎ রাত পৌনে ৩টার দিকে সিলেট-চট্টগ্রাম পথের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মন্দভাগ রেলওয়ে স্টেশনের ক্রসিংয়ে আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ও তূর্ণা নিশীথার মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে শিশু আদিবা আক্তার ছোঁয়াসহ অনেকেই নিহত হন।
ছোঁয়ার নিথর দেহ কয়েক ঘণ্টার জন্য ছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হাসপাতালের লাশ ঘরে। আর ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে মৃত্যু যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন তার বাবা সোহেল মিয়া ও মা নাজমা বেগম। তার গ্রামের বাড়ি বানিয়াচং উপজেলার বড় বাজার এলাকায়। জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ নিয়ে আসা হয় ছোঁয়ার নানা বাড়ি সৈদারতুলা এলাকায়। বরই পাতার গরমজলে গোসল করানো পর মঙ্গলবার রাত প্রায় ৯ টায় পারিবারিক কবর স্থানে তার লাশ দাফন করা হয়। কিন্তু গুরুতর অসুস্থ্য থাকায় চিরনিদ্রায় যাওয়া আদরের ছোঁয়ার সাথে শেষ দেখা হলো না তার বাবা-মায়ের।




