পথশিশুদের নিয়ে অন্যরকম ভালোবাসা দিবস উদযাপন করল ‘বেটার ফিউচার বাংলাদেশ’

ফাহাদ মারুফ: ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। দিনটি শুধুই ভালোবাসার নয়, আনন্দ-অশ্রু ও ভাগাভাগির। হৃদয়ের সঙ্গে হৃদয়ের মিলবন্ধনের দিন।
বছরের এ দিনকে সারা বিশ্বের তরুণ-তরুণীরা বেছে নিয়েছে হূদয়ের ব্যাকুল কথার কলি ফোটাতে।

এই ভালোবাসা দিবসে খুব কম লোকই আছে যে, অসহায়দের নিয়ে দিবসটি উদযাপন করে। অসহায়দের নিয়ে ভাবে।
তেমনি এক সমাজ কল্যাণ সংস্থার তরুণ-তরুণীরা বছরের এ দিনকে বেছে নিয়েছে পথ শিশুদের নিয়ে আনন্দ করার, ভালোবাসা ভাগ করার।

বুধবার (১৪ই ফেব্রুয়ারী) চট্টগ্রাম মহানগরের রেলস্টেশনে প্রায় ২০০ জন পথশিশুদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ এবং তাদের হাতে তাজা ফুল তুলে দিয়ে ভালবাসা বিনিময় করে সামাজিক সংগঠন ‘ বেটার ফিউচার বাংলাদেশ ‘।
এই ভালোবাসা বিনিময়র অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসাইন পাভেল, সভাপতি সাদমান চৌধুরী, সহ-সভাপতি হাফিজুল আসাদ, সেক্রেটারি আবদুল ওয়াহিদ রাইয়ান, যুগ্ম সম্পাদক শাইয়ান আজিম ও রোকসানা আফরোজ,চিফ ফটোগ্রাফার তারেকুল ইসলাম আসিফ, সদস্য ফাহিম, তামিম, রাহাত, রাফি, আফসানা, মনিষা, গালিব, নিলয়, রিজভী, পার্থ, আতিক, সাইমন, হাসান মাহমুদ, আরফিন, জিসান, প্রমুখ ।

পথশিশুদের সাথে ভালোবাসা বিনিময়ের সময় মোহাম্মদ হোসাইন পাভেল বলেন, অনেকেই আছে এই ভালোবাসা দিবসকে খারাপ কাজ করার জন্য নির্দিষ্ট করে রেখেছে।
কিন্তু আমরা এই ভালোবাসা দিবসকে যথাযথ মর্যাদা দিয়ে মানবতার কল্যাণে ‘বেটার ফিউচার বাংলাদেশ’ এর মাধ্যমে আরো পথশিশু- অসহায় মানুষদের কিছু করতে চাই। এবং মানবতার কল্যালে যে কোন পদক্ষেপ গ্রহনে আমরা প্রস্তুত।

পথশিশুদের সাথে ভালোবাসা বিনিময়ের সময় আবদুল ওয়াহিদ রাইয়ান বলেন, ভালোবাসা দিবস সবাই বুঝে তরুণ-তরুণীরা মিলে পালন করবে, প্রেমিক- প্রেমিকারা মিলে এই দিবস পালন করবে।
কিন্তু না, এই দিবসটা অসহায়দের খোজেঁ বের করার দিবস, অসহায়দের দু:খ বুঝার দিবস।

আমরা সবাই মিলে যদি পজেটিভ চিন্তা করি অসহায়দের নিয়ে,তাহলে কেউ রাস্তায় ঘুমাবে না, কেউ রেলস্টেশনে থাকবে না।
আমরা যদি এই ভাবে সংঘবদ্ধ হয়ে কাজ করি পথশিশুদের শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা ও যাবতীয় মৌলিক চাহিদা পূরণের মধ্য দিয়ে শিশু অধিকার নিশ্চিত করার পরিকল্পনা করি তাহলে হয়ত আর কোন ঘরের সন্তানই পথশিশু হবে না।

উল্লেখ্য যে, গত ১৩ই ফেব্রুয়ারী ২০১৮ এ সংগঠন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধিত হয় ( ৩১৬৯/১৮ খ্রি :।




