জেনে নিন মৃত যুবকের জীবিত হওয়ার গল্প!


নিজস্ব প্রতিবেদক: মৃত ঘোষণার পর জীবিত হয়ে বাড়ী ফিরলেন এক যুবক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে এলাকায় তোলপাড়।
ঘটনাটি ঘটেছে সিলেটের বিশ্বনাথে।
জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত এক চিকিৎসকের মৃত ঘেষাণা দেন সুন্দর আলী ওরফে শাহাব উদ্দিন (২৫)কে।
কিন্তু সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাকে জীবিত ঘোষণা করেন।
গত মঙ্গলবার শাহাবের মা খয়রুন নেছা ওরফে নুরুন নেছা ও ছোট ভাই জায়েদ আলী তাকে সুস্থ অবস্থায় গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যান সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে।
মৃত ঘোষণার ছেলেটি বেঁচে যাওয়ায় তাকে একনজর দেখতে আজিজ নগরের বাড়িতে এখন এলাকার লোকজন ভিড় করছেন।
এর আগে গত সোমবার রাতে প্রেমিকার সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার জন্য পেট্রোল পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন আজিজ নগরের সিকন্দর আলীর ছেলে পিকআপ চালক সুন্দর আলী ওরফে শাহাব উদ্দিন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে বিশ্বনাথের কাদিপুরস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত টিকিৎসক শাকিলা আফরিন মিথি তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ সময় তার পিতা সিকন্দর আলী, মাতা খয়রুন ওরফে নুরুননেছা পাগল হয়ে পড়েন। এ সময় তাদের নিকটাত্মীয় চকরাম প্রসাদের (উপরের চক) মখতার আলী ও হুসিয়ার আলী তাদের সান্ত্বনা দেন এবং সিলেট ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পারমর্শ দেন। পরে রাত সাড়ে ৯টপার দিকে তাকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্ত্যব্যরত চিকিৎসক পেট্রোলপায়ী সুন্দর আলীকে জীবিত ঘোষণা করেন এবং চিকিৎসার জন্যে দ্রুত ভর্তি করার নির্দেশ দেন।
এ প্রসঙ্গে সিকন্দর আলী বলেন, পছন্দের মেয়ের সঙ্গে ছেলেকে বিয়ে করাতে রাজি না হওয়ায় সোমবার রাতে সে পেট্রোল পান করে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে। পরে তাকে কাদিপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডা: সাকিলা আফরিন মিথি তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার ছেলেকে জীবিত দেখে দ্রুত ভর্তি করেন।
বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় সাংবাদিকরা হাসপাতালে গেলে ‘টিএইচও’কে আব্দুর রহমানকে না পেয়ে ফাহিমা ইয়াছমিন নামের চিকিৎসককে পান। তার কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি কোন তথ্য দিতে রাজি হননি।
তবে, মৃত ঘোষণার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ডা: শাকিলা আফরিন মিথি। তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, একটু মিছআন্ডাসষ্ট্যন্ডিং (ভুল বুঝাবুঝি) হওয়াতে এরকম হয়েছে।




