ব্যাবসায়ীর উপর টাকা আত্মসাতের অভিযোগ: কারাদন্ডের নির্দেশ সিলেট আদালতের

নিউজ ডেস্ক:
২০২০ সালে বিদেশ পাঠানোর নামে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠে সিলেট আম্বরখানার সেঞ্চুরি মার্কেটের ব্যাবসায়ী মোঃ রেজাউল করিম শোয়াইব এর উপর।
তুরস্ক পাঠানোর নামে সিলেট জেলার উসমানীনগর থানাধীন তাজপুর দুলিয়ারবন্দ গ্রামের মাওলানা মো: মুক্তার আহমদের ছেলে মাওলানা মুশতাক আহমদের কাছ থেকে ৪ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন মোঃ রেজাউল করিম শোয়াইব।




এই অভিযোগ তুলে মুশতাক আহমদের পিতা মাওলানা মুক্তার আহমদ বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলা নং ৪২৩/২০২১ইং।
দীর্ঘ দুইবছর পরে ১৩ই ফেব্রুয়ারী ২০২৩ (সোমবার) সিলেট আদালত মামলার রায় দেয় এবং আদেশ দেয় যে, আসামী মোঃ রেজাউল করিম শোয়াইব (পলাতক), পিতা-মোঃ নুরুল হক, গ্রাম-রহমতপুর, মহনপুর ইউ/পি, থানা- সুনামগঞ্জ, জেলা- সিলেট। অফিস: বিসিএস কনফিডেন্স, সেঞ্চুরি মার্কেট, ৩য় তলা, আম্বরাখানা, সিলেট-এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আনীত the negotiable instrument act, 1881-এর ১৩৭ ধারার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামীকে উক্ত ধারায় অভিযুক্ত করে ০৬ (ছয়) মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং নালিশী চেকের সমপরিমাণ অর্থ অর্থাৎ ৪,৭০,০০০/- টাকা জরিমানা প্রদান করা হলো।
মুক্তার আহমদ জানান যে, তিনি আত্মীয়তার সুবাদে বিশ্বাস করে তাকে ধাপে ধাপে টাকা দিয়েছেন। কিন্তু ৪ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা চ্যাকের মাধ্যমে দেওয়ায় এর উপর মামলা করেছি। বাকী টাকাগুলোর কোনো প্রমাণাদি না থাকায় মামলায় উল্লেখ করা যায়নি। এমনকি বিবাদী মামলার রায়ের টাকাগুলোও পরিশোধ করছে না, তার কোনো হদীস নেই।
এব্যাপারে বিবাদী মোঃ রেজাউল করিম শোয়াইব বলেন, এসব ভুল তথ্য দিয়ে মামলার রায় করানো হয়েছে, আমার কাছে উপযুক্ত প্রমাণাদি আছে। কিন্তু প্রমাণাদি চাইলে তিনি সেগুলো আর দেননি বা দেখাতে পারেননি।
মুক্তার আহমদ আরও জানান যে, দীর্ঘ দুই বছর থেকে সে বসবো-বসছি এসব করে করে মামলার রায় পেতেও দেরি হয়েছে। বারবার বসার চেষ্টা করেও ব্যার্থ হয়েছি। মামলার রায় হলেও টাকা উদ্ধারের কোনো সুরাহা দেখছি না।




