হয়রানী ও সেক্সের বিজ্ঞাপনে সয়লাব


এ কে এম কায়সারুল আলম : সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে হয়রানী ও সেক্সের বিঙ্গাপনে সয়লাব হয়ে পড়েছে ।
এব্যাপারে বিটিআরসি নীরব ভূমিকা পালন করছে,নেই কোন কার্যকরী ভূমিকা । হয়রানী হচ্ছে মোবাইল ফোনেও অনেকেই।
অজানা থাকছে ভূক্তভোগীদের মধ্যেও।
রিয়া , ঠিকানা ঢাকা সিটি কলেজ। ফোন নাম্বার দেয়া ৪টি
০১৭৮৬৪৭০৩১৩, ০১৯২১১৯৭২৫৬ । ২টিই বন্ধ।
০১৬৮৬৪৭০*** ও ০১৭৭০১৭১*** ২টি নাম্বারে ফোন দিয়ে পাওয়া যায় গোধুলি নামের একজনকেই বাসা কুমিল্লা , মিরপুর ১০ এ থাকে। কলেজে পড়ছে । গোধুলীর অনুরোধে পুরো নাম ,ফোন নাম্বার ও ফেসবুক আইডি প্রকাশ করা হলো না। সে জানায় কে বা কারা আমার ২টি ফোন নাম্বার ফেসবুকে দিয়েছে । প্রতিদিনই অনেক ফোন আসে ।
দেখি নাম্বার ২টি পাল্টাবো ।
জেসমিন আক্তার জুঁই নামক একটি অ্যাকাউন্টের ০১৫৫২৮৭৩… নাম্বারে ফোন দিয়ে একজন মহিলাকে পাওয়া গেলেও তিনি ফেসবুক সম্পর্কে কিছুই জানেননা এবং জুঁই নামটি বলায় রেগে যান। রাগের কারন তিনি অনাকাঙ্খিত ফোনে বিরক্তও বটে । অপর নাম্বার ০১৭৫৫৪০৮… একজন পুরুষরের তিনি জানেন না ফেসবুক কি ।
Sarmin Akter Sarmin প্রোফাইলে নাম্বার ০১৭১২২৩১… প্রতিদিন ২/৩ বার সুন্দরী মেয়েদের ছবির সাথে
নাম্বার দেয়া
০১৭১২ ২৩১… ও
০১৭১১ ০৭৮…। প্রথম নাম্বারটিতে ফোন দিলে জানা যায় উক্ত ব্যক্তির নাম ইসলাম উদ্দিন মেম্মার তিনি সিলেটে ব্যবসা করেন
২টি নাম্বার ওনার।
ডিস্টার্ব থেকে রক্ষা পেতে তিনি একটি নাম্বার বন্ধ রেখেছেন। তিনি থানায় অভিযোগ করেছেন কিন্তু কোন কাজ হয়নি এখন পর্যন্ত। তার সাথে কথা বলায় তিনি জানায় , আমাকে বিভিন্ন নাম্বার থেকে ফোন করে ডিস্টার্ব করছে অনেকে মেয়ে ভেবে। তাই আমি ১টি নাম্বার বন্ধ রেখেছি । কিন্তু এ নাম্বারটি ব্যবসার কারনে পাল্টাতেও পারছিনা।
“সেক্সি মেয়েদের ফোন নম্বার” নামক একটি পেজে লেখা “আমার নাম নদী ফোন সেক্স করতে চাইলে কল করো তবে ১০০ টাকা দিতে হবে
প্রথমে কল দিবে ১ মিনিট কথা বলবো। তার পরে টাকা দিতে হবে। টাকা না দিলে কল কেটে দিবো 01748059984″ এ নাম্বারে ফোন দিলে ভয়েজ চেন্জ করা মেয়েলী কন্ঠের এক পুরুষকে পাওয়া যায়। উঠতি বয়সী ছেলেদের কাছ থেকে টাকা নেয়ার নতুন একটি প্রতারণা এটি। বিভিন্ন বাংলাদেশী ওয়েভ সাইট ঘেটে দেখা গেছে বাংলাদেশে সেক্সের ছড়াছড়ি।
এতে উঠতি বয়সী তরুণ তরুণীরা বিপদগামী হচ্ছে।
এভাবে প্রায় বেশীরভাগ ফেসবুক ব্যবহারকারী অন্যকে হয়রানী করার জন্য অন্যের ফোন নাম্বার দিচ্ছে । অনেকে বাধ্য হয়ে সীম পাল্টালেও কাজ হচ্ছে না অনেক সময়। এছাড়াও ” সেক্সি মেয়েদের ফোন নাম্বার” পেজ ছাড়াও অনেক পেজে দেখা গেছে মেয়েদের নামে ছেলেরা অ্যাকাউন্ড খুলে হয়রানী করছে । বলার বা শুনার কেউ নেই । অনেকে বিটিআরসি সম্পর্কে কিছুই জানেন । অভিযোগ করার নিয়মতো দুরের কথা ।
সাধারন ভুক্তভোগীর জোড়দাবী ডিজিটাল বাংলাদেশে এমন হয়রানী ও উঠতি বয়সী তরুন তরুণীদের বিপদগামী কাম্য নয় । তাই এতে রক্ষা করতে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহন করবে ।



