শাল্লায় ইউপি সদস্যের ছেলের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ


শাল্লা প্রতিনিধি: শাল্লা উপজেলার ১নং আটগাঁও ইউপির মহিলা ওয়ার্ডের সদস্য আম্বিয়া বেগমের ছেলে লিটন মিয়ার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ৯এপ্রিল মঙ্গলবার বেলা পৌনে ২টায় আটগাঁও গ্রামের বাসিন্দা নাফসি খানের স্ত্রী শেলু বিবি ও একই গ্রামের আনু মিয়ার স্ত্রী মোছাঃ ফাতেমা বেগম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। গত পৌষ মাসে ওই মহিলা সদস্য আম্বিয়া বেগমের ছেলে লিটন মিয়া গরুসহ বিভিন্ন সরকারি সুযোগ সুবিধা দেওয়ার কথা বলে তাদের কাছে ৫ হাজার টাকা দাবি করে। তারা হতদরিদ্র হওয়ায় ৫হাজার টাকার পরিবর্তে ২হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারক লিটন। অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়।
লিটনের প্রতারণার শিকার শুধু তারাই নন, প্রতিবেশি শাহানারা ও আয়েশাসহ আরো বহু দরিদ্র মানুষ। ঘটনার ৫মাস অতিবাহিত হলেও, আজও তারা গরু তো দূরের কথা সরকারি কোনো ত্রাণ পর্যন্ত পাননি লিটনের প্রতারণার শিকার ভূক্তভোগী হতদরিদ্র মানুষগুলো।
লিটনের প্রতারণার শিকার ফসল হারা এই দরিদ্র মানুষগুলো টাকা চাইতে গেলে মেম্বার আম্বিয়া বেগম গালমন্দ করেন। ৯ এপ্রিল শাল্লা উপজেলায় যখন সরকারি ত্রাণ বিতরণ চলছিল, তখনই খাদ্যগোদামের পশ্চিম দিকে আম্বিয়া বেগম জনরোষে পড়েন। সেখানে উপরোক্ত অভিযোগকারীগণ আম্বিয়া বেগমকে বলেন, তোমার পুলা আমরার কাছ থাইক্যা কয়দিন আগে ভোডার কার্ড আনছে, ৫শ’ টেকাও দিছি। এব্যাপারে আটগাঁও গ্রামের আয়তুন নেছা বলেন, ওই মেম্বানির পুলা তাগো কাছ থাইক্যা টেকা নিছে। আরো মানুষের কাছ থাইক্যা টেকা নিছে গরু দিব, কার্ড দিব কইয়া।
এবিষয়ে আটগাঁও ইউপির ১,২ ও ৩ ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য আম্বিয়া বেগম বলেন, আমার ছেলে তাদের কাছ থেকে টাকা নিছে। আমি টাকা দিমু, নইলে আগামী সপ্তাহে তাদের কার্ড কইরা দিমু। এব্যাপারে আটগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম আজাদ বলেন, আপনি কোথায়? নাম্বার দিচ্ছি আপনার কাছে যাবে বলেই তিনি সংযোগটি কেটে দেন।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুম বিল্লাহ বলেন, অভিযোগটি এখনো আমি পাইনি। আর তাদের বারবার সতর্ক করার পরও যদি কেউ এধনের কাজ করে তাহলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।



