ফেঞ্চুগঞ্জে তেলবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত: বড় গামলা নিয়ে তেল হরিলুট!

ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিনিধি:
ফেঞ্চুগঞ্জের মাইজগাঁও ও বিয়ালিবাজারের মধ্যিখানে গুতিগাঁও এলাকায় তেলবাহী একটি ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ১২ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে ঢাকা ও চট্টগ্রামের সাথে সিলেটের রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
এদিকে ট্রেনের ৭টি তেলবাহী বগি লাইনচ্যুত হয়ে পড়লে স্থানীয়রা তেল সংগ্রহ করতে ভিড় শুরু করেন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, লাইনচ্যুত হয়ে উল্টে যাওয়া ট্রেনের ওয়াগন থেকে তেল সংগ্রহের জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়েছে স্থানীয়রা। কারও হাতে বালতি, কারও হাতে পাতিল, কারও হাতে জগ, আবার কারও হাতে প্লাস্টিকের বড় গামলা। সবাই এসব পাত্রে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন। কার আগে কে তেল নিয়ে যাবেন তা নিয়ে যেন চলছে এক ধরনের প্রতিযোগিতা। রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ও থানা পুলিশ বারবার চেষ্টা করেও তাদের নিবৃত্ত করতে পারেনি।
এদিকে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে তেলবাহী ট্রেন দুর্ঘটনার কারণ জানতে ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রেলওয়ের বিভাগীয় পরিবহণ কর্মকর্তা মো. খাইরুল ইসলামকে প্রধান করে এ কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটিকে আগামী তিন দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার কথা বলা হয়েছে। লাইনচ্যুত বগি উদ্ধারকাজ শেষ হলেই তদন্ত কমিটি কাজ শুরু করবে বলে জানা গেছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে ফেঞ্চুগঞ্জের মাইজগাঁও ও বিয়ালিবাজারের মধ্যিখানে গুতিগাঁও এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে ৭টি বগি লাইনচ্যুত হয়ে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনার পর থেকে সারা দেশের সাথে বন্ধ হয়ে গেছে সিলেটের ট্রেন যোগাযোগ।
এলাকাবাসী জানান- রাত ১২টার দিকে সিলেটগামী ওই ট্রেনটি ফেঞ্চুগঞ্জের মাইজগাঁও ও বিয়ালিবাজারের মধ্যিখানে গুতিগাঁও এলাকায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। ট্রেনের ৮টি বগির মধ্যে ৭টি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ছড়িয়ে পড়ে ট্রেনে থাকা জ্বালানি। আশপাশের অনেক পুকুর-জলাশয়ে জ্বালানি ছড়িয়ে পড়েছে। পরে আশেপাশের লোকজন এসব জ্বালানি নিয়ে যান।




