লিড নিউজসিলেট বিভাগ

বিয়ের প্রলোভনে বিধবার সাথে শারীরিক সর্ম্পক, অবশেষে..

নিউজ ডেস্ক: গোয়াইনঘাট উপজেলায় বিয়ের লোভ দেখিয়ে এক বিধবা নারীর সাথে ৬ মাস ধরে শারীরিক সর্ম্পক স্থাপনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তারা স্বামী-স্ত্রীর মতো সম্পর্ক চালিয়ে আসছিলেন।
শারীরিক সর্ম্পক স্থাপনকারী পুরুষ গোয়াইনঘাট উপজেলার পশ্চিম আলীরগাঁও ইউনিয়নের পুকাশ গ্রামের মো. আব্দুর রবের ছেলে আব্দুল্লাহ মিয়া (৩৫)।
আর বিধবা নারী গোয়াইনঘাট উপজেলার পশ্চিম আলীরগাঁও ইউনিয়নের পুকাশ গ্রামের মৃত স্বামী ইমাম উদ্দিনের বিধবা স্ত্রী আফজুন বেগম( ২৫)। নারী দুটি সন্তান রয়েছে।

বিষয়টি পাড়াপ্রতিবেশিদের নজরে আসলেই এতে বিপত্তি ঘটে। আফজুন বেগম বিয়ের জন্য চাপ দিলে আব্দুল্লাহ মিয়া বিয়ে করতে অপারগতা প্রকাশ করায় শেষ পর্যন্ত আফজুন বেগম এই প্রতারণার জন্য গোয়াইনঘাট থানায় দায়ের করেন। বর্তমানে তারা উভয়ই গোয়াইনঘাট থানা হেফাজতে রয়েছেন।

বিধবা নারী আফজুন বেগমের গোয়াইনঘাট থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৬/৭ বছর পূর্বে দুটি সন্তান রেখে মারাযান তার স্বামী ইমাম উদ্দিন। দুটি সন্তানের দিকে তাকিয়ে তিনি অন্য কোথাও বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হননি তিনি। মানুষের বাড়ি বাড়ি কাজ করে তার দুটি সন্তানকে লালন পালন করেন আসছেন। বিগত ৬-৭ মাস পূর্বে একই গ্রামের পার্শবর্তী বাড়ির মো. আব্দুর রবের ছেলে আব্দুল্লাহ মিয়া (৩৫) আমার বসতঘরে ঘনঘন যাতায়াত শুরু করেন। আব্দুল্লাহ মিয়া আমার বসতঘরে আশা যাওয়ার মধ্যে সর্বদাই তার সাথে আমাকে অবৈধভাবে দৈহিক সম্পর্ক তৈরির কুপ্রস্তাব দিতো। মাঝে মধ্যে সে আমাকে বিবাহ করবে বলে আশ্বস্ত করে। বিবাহের লোভে পড়ে গত ৬-৭ মাস থেকে তার সাথে আমি দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তুলি। আব্দুল্লাহ ও আমার অবৈধ দৈহিক সম্পর্কের কথা দিনে দিনে পুরো পুকাশ গ্রাম জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। আমার ও আব্দুল্লাহের অবৈধ দৈহিক সম্পর্কের বিষয়টি পুকাশ গ্রামের মুরব্বি ও যুব সমাজের নজরে আসলে তারা গ্রাম্য সালিশি বৈঠকে বসেন। সালিসি বৈঠকে আমার ও আব্দুল্লাহের সম্পর্কের বিষয়টি উভয় জনের কাছ থেকে স্বীকারোক্তি পাওয়ায় সালিশারা উভয়কে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করতে উক্ত সালিসি বৈঠকে সংশ্লিষ্ট কাজী ও মৌলভী সাহেবকে হাজির করান। বিবাহ সম্পাদনের জন্য সালিসি বৈঠকে কাজী ও মৌলভী সাহেব উপস্থিত হয়ে বিবাহ কার্যক্রম শুরু করতেই আব্দুল্লাহ বিবাহ করবে না বলে জানায়। এসময় সালিসানরা আমার ভবিষ্যতের জন্য কোন কিছু করার আহবান করলে আব্দুল্লাহ অপারগতা প্রকাশ করে।

উপান্তর না দেখে গোয়াইনঘাট থানার আশ্রয় নিয়েছেন বলে আফজুন বেগম থানায় দেয়া লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন।

এব্যাপারে গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল আহাদ বলেন, গোয়াইনঘাট থানার পশ্চিম আলীরগাঁও ইউনিয়নের পুকাশ গ্রামের মৃত ইমাম উদ্দিনের বিধবা নারী আফজুন বেগম ধর্ষণের অভিযোগ এনে একই গ্রামের আব্দুর রবের ছেলে আব্দুল্লাহকে আসামি করে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। এরই আলোকে গোয়াইনঘাট থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলা-নং ৫ তারিখঃ ০৪ -০৯-২০২০ইং। বর্তমানে আবদুল্লাহ ও আফজুন বেগম থানার হেফাজতে রয়েছেন। এবিষয়ে তদন্ত চলছে।

Related Articles

Back to top button