শুভ জন্মদিন ইশতিয়াক রুপু আহমেদ


এইচ বি রিতা: নিউইয়র্ক,
কেকার জন্যে বাঁকা রুপু ভাই
ভাবছে খাবে তেঁতুলের জুস
খেয়ে নিয়ে ছটফট ছটফট
হারালো এবার পুরাই হুশ!
ভাবী ডাকে ডাক্তার কবিরাজ
কেকা রেসিপি রুপু ভাইয়ের হাতে
ইব্রাহিম ভাইজান ধমকে বলে
কেকার পিরিতিত খেনে পড়লায় তে?
এ কথা শুনে ভাবী দেয় চিৎকার
বলে, ও রুপু তুমি এমন চিটার?
চোখের পানী মুছে ভাবী বলে
সত্য বল তুমি কেকার না আমার?
রুপু ভাই বলে ও মোর খোদা
নিরপরাধ আমি এ কি জ্বালা
তেঁতুলের জুস আর খাবনা
কেকা চৌধুরী তুই পালা পালা।
ভাবী তো এবার ভীষণ খুশী
বলে, রুপু তুমি এদিকে আসো
ভাই খুশীতে ছটফটায়া বলে,
তুমি আমায় এত ভালবাসো?
ভাবী বলে এবার পকপক ছাড়ো
আজ তোমার শুভ জন্মদিন
তেঁতুলের জুস বানিয়ে রেখেছি
ওগো! ভালবেসো আমায় চিরদিন।
——- দ্যি এন্ড
রুপু ভাই, যে মানুষটি একই সাথে লেখক, সাংবাদিক, কবি, গীতিকার, সুরকার এবং সৃজনশীল মানুষ হিসাবে যিনি অসাধারণ উদার মনের কেউ একজন, আজ এই মানুষটির শুভ জন্মদিন।
শুভ জন্মদিন রুপু ভাই।
রুপু ভাই, আপনার মত এত গুনের একজন মানুষের জন্মদিনে তেমন কিছু দেবার মত ক্ষমতা আমার নেই। আমি খুব সাধারণ। বাক্য বিনিময় ও ঠিকমত করতে জানিনা। ভালবাসার গভীরতা দেখাতে পারিনা। শুধু বলব, এই যে মাঝে মাঝে আমাকে উপদেশ দেন, আমার অসুস্থ্যতায় বিচলিত হোন, কখনো কখনো আমাকে ‘প্রিয় বোনটি’ বলে ডাকেন, এগুলির ঋণ শোধ করা যাবে না কোনদিন।
এই যে আমার অসুস্থ্যতায় হাসপাতালে আমার বেডের পাশে বলে চোখের পানী ঝড়ালেন, তারপর আমি যেন না দেখি সেই আকঙ্কে চট জলদি চোখ মুছেও ফেললেন, এই যে বার বার রওশন আপুকে ডেকে আমার খবর নেয়া, এগুলো খুব বড় ধরণের ঋণ। সুদ ছাড়াও এ ঋণ শোধ করা যাবেনা কোনদিন।
এই যে লিখালিখিতে সব সময় আমাকে অনুপ্রেরণা দেন, লড়াই করার সাহস যোগান, এগুলোই ভালবাসা; এগুলোই ঋণ।
আজ আপনার জন্মদিন রুপু ভাই। শুভ জন্মদিন। সুস্থ্যতার সাথে বেঁচে থাকুন পরিবার নিয়ে, আমাদের নিয়ে।




