সিলেট বিভাগসুনামগঞ্জ
গ্রাম্য বাজার গুলিতে সামাজিক দূরত্ব কি বুঝে-ই না


জগন্নাথপুর প্রতিনিধিঃসুনামগঞ্জ এর জগন্নাথপুর উপজেলার ৫নং চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের স্থানিয় বাজার গুলিতে জনসমাগম চোখে পরার মতো।
করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় প্রশাসনের আদেশ অমান্য করে ৫নং চিলাউড়া হলিপুর উইনিয়নের বাউধরণের মুজীব মার্কেট নামে বাজারে প্রায়ই জনসমাগম হচ্ছে। এই বাজারের পাশেই রয়েছে ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আরশ মিয়ার বসত বাড়ী।
একই অবস্থা ইউনিনের ৮নং ওয়ার্ডের হলিকোনা বাজার, গোপড়াপুর বাজার, চিলাউড়া বাজার সহ আরও অনেক বাজারে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার সচেতন মহলের অনেকে বলেন, যেখানে সারাবিশ্ব করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতায় গৃহবন্দী তখন আমাদের এইসব এলাকায় মানুষ বাজারে একসাথে আড্ডায় ব্যস্ত।
ঔষধ ও মুদি দোকান খোলা থাকার কথা থাকলেও এইসব এলাকায় প্রায়ই লক্ষ্য করা যাচ্ছে বিভিন্ন দোকান খোলা হচ্ছে। সন্ধ্যার পর দোকান বন্ধ করার কথা থাকলেও রাত ৯টা ১০টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। যা রীতিমতো ভীতির কারণ। এতে করোনা বিস্তারের সম্ভাবনা প্রচুর।
এছাড়া কিছু বিদেশফেরত ব্যক্তিরা হোম কোয়ারান্টাইনে না থেকে যেখানে সেখানে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এতে করোন ভাইরাস চড়ানোর জন্য অভয় অরণ্য হয়ে উঠছে স্থানিয় বাজারগুলি।
স্হানীয় প্রশাসনেরও তেমন কোন পদক্ষেপ নেই বলেই চলে। কেননা এখন পর্যন্ত সকল বাজারে প্রশাসনের কর্মকর্তা যাননি। স্থানীয় জন প্রতিনিধি চেয়ারম্যান মেম্বারদের পক্ষ হইতে এখন পর্যন্ত জনসচেতনতামুলক কোন কার্যক্রয় গ্রহণ করা হয়নি। এমনকি কোন মাইকিং না, কোন লিপলেট বিতরণ নেই, নেই কোন ত্রাণ বিতরণ।
দেখে মনে হয় এসব যেন জনপ্রতিনিধির কোন দায়িত্বের মধ্যে পরে না।
এলাকায় চলছে ক্রিকেট, ফুটবল খেলার সিরিজ।আরও চলছে বাড়ীতে বাড়ীতে মিলাদ মাহফিল, চলছে অনেক বাড়ীতে নতুন গৃহ নির্মাণের কাজ এলাকার কিছু যোবকদের প্রায় ই দেখা যাচ্ছে একসাথে ১৫.২০জন একসাথে আড্ডা দিতে একই কাজ করছেন এলাকার কিছু বৃদ্ধ মানুষ।
সবচেয়ে আশ্চর্যের ব্যাপার এলাকার একশ্রেণীর মানুষ এখনও জানেনই না করোনা ভাইরাস কি? কিংবা এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে কি করনীয়?
এলাকার সচেতন মহলের লোকজন মনে করেন এখনই যদি এসব কার্যক্রম বন্ধ না করা যায়, তাহলে এরজন্য ৫নং চিলাউড়া হলদিপুর বাসীকে অনেক বড় মাসুল দিতে হতে পারে।




