সারাদেশ

“যুবসমাজকে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে”

বশীর আহমদ: উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে সবচাইতে বেশি ভূমিকা রেখেছেন এদেশের হক্কানী উলামায়ে কেরাম। ১৮৩১ সালের বালাকোটের যুদ্ধ থেকে নিয়ে ১৮৫৭ সাল ও ১৯৪৭ স্বাধীনতা -সংগ্রামে উলামায়ে কেরামের ব্যাপক ভূমিকা ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনীর জুলুম-নির্যাতনের বিরুদ্ধে এদেশের হকপন্থী উলামায়ে কেরাম নিজ অবস্থান থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

জমিয়তে উলামা হিন্দের সভাপতি মাওলানা সাইয়েদ আসাদ মাদানীর নির্দেশে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের দেওবন্দী ওলামায়ে কেরাম স্বাধীনতার পক্ষে ভূমিকা রাখেন। জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নেতৃবৃন্দ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করে স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের বন্ধ হ‌ওয়া মসজিদ মাদ্রাসা গুলো খুলে দেওয়ার জন্য আহ্বান জানালে তখন মাদ্রাসাগুলো খুলে দেওয়া হয়।
যুব সমাজকে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ ভাবে হক্কানি উলামায়ে কেরামের নেতৃত্বে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
১৭ ডিসেম্বর রোজ মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় রাজধানীর খিলক্ষেত অনুষ্ঠিত বিজয় দিবসের আলোচনা সভা স্বাধীনতা সংগ্রামে উলামায়ে কেরামের অবদান শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা নাজমুল হাসান কাসেমী এসব কথা বলেন।

যুব জমিয়তের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ইসহাক কামালের সভাপতিত্বে এবং রুহুল আমিন নগরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় আলোচনা পেশ করেন যুব জমিয়ত বাংলাদেশের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মুফতী গোলাম মাওলা কাসেমী, জমিয়তে উলামা ইসলাম ঢাকা মহানগরীর প্রচার সম্পাদক মুফতী ইমরানুল বারী সিরাজী,যুব জমিয়ত বাংলাদেশের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল্লাহিল বাকী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা সিরাজুল ইসলাম বাহার, মাওলানা আব্দুল কাদের ও মাওলানা আবু সাঈদ প্রমুখ।

Related Articles

Back to top button