লিড নিউজশিক্ষাঙ্গনসিলেট

১০ শিক্ষক দিয়ে চলছে ১১শ’ শিক্ষার্থীর পাঠদান!

নিউজ ডেস্ক: সিলেট জেলার বালাগঞ্জ উপজেলায় সরকারি ডিএন উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক সঙ্কটের কারণে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যালয়ে ২৫ জন শিক্ষকের পদ থাকলেও বর্তমানে শিক্ষক আছেন মাত্র ১০ জন। প্রধান শিক্ষকের পদটিও দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। ফলে ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত ১১টি শাখায় অধ্যয়নরত প্রায় ১১শ শিক্ষার্থীর নিয়মিত পাঠদানে ব্যাঘাত ঘটছে। এতে শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি তো দূরের কথা, নামমাত্র শিক্ষা অর্জনও করতে পারছে না শিক্ষার্থীরা।১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টি ২০১৮ সালে সরকারীকরণ করা হয়।

 

পরীক্ষা দিল ছেলে!

স্বপ্ন দেখে ৭ বছরের তরুণ!

 

২০১৮ সালে ৮ জন শিক্ষার্থী জেএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেছিল, কিন্তু ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় বিদ্যালয়ের কোন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়নি। এর কারণ হিসেবে অভিভাবকরা শিক্ষক শূন্যতাকে দায়ী করেছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের নান্দনিক একাডেমিক ভবনের শ্রেণিকক্ষগুলো বেশ পরিপাটি। ২টি কম্পিউটার ল্যাব, ৭টি মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম এবং ১টি মুক্তিযোদ্ধা কর্ণারও রয়েছে। শিক্ষার্থী ভরপুর ক্লাসগুলোতে শিক্ষার্থীরা বসে অলস সময় কাটাচ্ছে, কিন্তু শিক্ষকের দেখা মিলছে না। পাঠদানের বিষয়ে জানতে চাইলে ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী জাবেদ আহমদ বলে, স্যার পড়া দিয়ে অন্য ক্লাসে গেছেন আবার এসে পড়া নেবেন। স্যারেরা এভাবেই আমাদের পড়ান।

এ বিষয়ে কয়েকজন অভিভাবকের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, বালাগঞ্জ উপজেলা ও পার্শ্ববর্তী রাজনগর উপজেলার অধিকাংশ শিক্ষার্থী যাতায়াতের সুবিধার কারণে এই বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করে আসছে। ক্লাস পরীক্ষায় নামমাত্র পাশ করে ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকে ধাবিত করা হচ্ছে। স্বল্পসংখ্যক শিক্ষক খুবই পরিশ্রম করে পাঠদান করাচ্ছেন, শিগগিরই শূন্য পদগুলোতে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন।

 

টাকার বদলে বই নিলেন স্ত্রী!

মুখ খুললেন মিথিলা

 

 

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম বলেন, ২৫ জন শিক্ষকের জায়গায় মাত্র ১০ জন কর্মরত থাকায় পাঠদানে মারাত্মক সমস্যা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে জরুরি ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিদ্যালয়টি সরকারিকরণ হয়েছে কিন্তু এখনও শিক্ষক আত্তীকরণের অনুমোদন হয়নি। আত্তীকরণ হয়ে গেলে সরকারিভাবে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। এ ব্যাপারে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

Related Articles

Check Also
Close
Back to top button