‘লবণ বেশি দামে যারা বিক্রি করে, তাদের পুলিশে ধরিয়ে দিন’


নিজস্ব প্রতিবেদক: যখন মানুষ পেঁয়াজের দাম বাড়ার পর হিমশিম খায় পেঁয়াজ কিনতে। টিক তখনই ঘটে আরেক কান্ড।
এবার লবণ নিয়ে লঙ্কাকাণ্ড চলছে সিলেটজুড়ে। একটি অসাধু চক্র গুজব ছড়িয়ে লবণের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। সাধারণ মানুষ গুজবে বিভ্রান্ত হয়ে বেশি দামে লবণ কিনে প্রতারিত হচ্ছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সিলেটের বিভিন্ন স্থানে সোমবার সন্ধ্যা থেকে লবণের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী। বাজারে প্রতি কেজি লবণের খুচরো মূল্য ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। কিন্তু ‘লবণ সংকটের’ গুজব ছড়িয়ে প্রতি কেজি ৪০ টাকা থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি করার খবর পাওয়া গেছে।
তবে বিভিন্ন লবণ কোম্পানির দায়িত্বশীলরা বলছেন, বাজারে লবণ সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। লবণের যথেষ্টের চাইতেও বেশি সরবরাহ আছে। লবণের কোনো সংকটও নেই। এমনকি লবণের দামও এখন পর্যন্ত কোনো কোম্পানি বাড়ায়নি।
শীর্ষস্থানীয় একটি লবণ কোম্পানির সিলেট অঞ্চলের প্রধান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘লবণের দাম এখনও বাড়েনি। একটি চক্র গুজব ছড়িয়ে দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছে।’
জানা গেছে, সিলেটের জকিগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বিশ্বনাথ উপজেলায় কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী লবণের সংকটের গুজব ছড়িয়ে দিয়েছেন। গুজব ছড়িয়ে তারা প্রতি কেজি লবণ অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছেন।
তবে স্থানীয় প্রশাসন বলছে, লবণের মূল্যবৃদ্ধি পায়নি। যারা গুজব ছড়িয়ে লবণের দাম বাড়াচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে, গুজব ছড়িয়ে সিলেট নগরীতেও লবণের মূল্য বাড়িয়ে বিক্রি করতে দেখা গেছে। নগরীর কাজীরবাজার, বন্দরবাজার, আম্বরখানা, সুবিদবাজার, শাহপরান প্রভৃতি এলাকায় সোমবার সন্ধ্যা থেকে লবণ বেশি দামে বিক্রি করে কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী। ৩০ থেকে ৩৫ টাকা মূল্যের প্রতি কেজি লবণ ৪০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি করে তারা।
লবণসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দামবৃদ্ধির বিষয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সিলেটের পুলিশ সুপার মো. ফরিদ উদ্দিন।
তিনি নিজের ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন, ‘বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। কোন নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম বাড়তে পারে এমন গুজবে কান না দেওয়ার জন্য সকলকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।




