

নিজস্ব প্রতিবেদক: মানবতা আজও বেচেঁ আছে। আর বেচেঁ থাকবে। কিন্তু মানবতার ধরণ কিছু পাল্টেছে। আগে মানুষ সহযোগীতা করত কারো কাছ থেকে খবর পেয়ে বা কারো মাধ্যমে অথবা কারো সহযোগীতায়।
কিন্তু এখন এই প্রযু্ক্তির যুগে অনলাইনে
Helping Hands BD পেইজের ভলান্টিয়ারদের পোস্ট দেখে অনেকেই এগিয়ে আসছেন মানবসেবায়।

তারই উপমা হিসেবে ফেসবুকে পরিচয়ের মাধ্যমে মানসিক রোগীদের সহযোগীতা প্রদান করেছে (রাস্তায় পড়ে থাকা মানুষ যাদের আমরা পাগল বলি) কিছু হৃদয়বান মানুষরা।
শনিবার (২১ জুলাই) সকাল ১১ টা থেকে বিকাল ৪.৩০ মিনিট পর্যন্ত জাতীয় মানসিক হাসপাতালে ব্যাংকার শামীম আহমদের মাধ্যমে মোট ৪ জন মানসিক রোগীকে চিকিৎসা ও ভত্তিসহ বিভিন্ন ভাবে সহযোগীতা করা হয়।
এর মধ্যে জামালপুর থেকে অাসা একজন নারী, ব্রাহ্মনবাড়িয়া থেকে অাসা একজন ছেলে পথশিশুকে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি, বরিশাল থেকে অাসা একজন ছেলে রোগীকে ডাক্তার দেখানো ও কাউন্সিলিং করানো,নোয়াখালী থেকে অাসা একজন ৭ বছরের শিশু রোগীকে শুধু কাউন্সিলিং এর জন্য সহযোগীতা করা হয়।

যার মধ্যে ০৩ জন রোগী এসেছিল ফেসবুকে পরিচয়ের মাধ্যমে।
১ জন রোগী এসেছিল কচিপাতা ম্যাগাজিনের সম্পাদক অালেয়া বেগম অালোর রেফারেন্সে।অালেয়া বেগম অালোর সাথেও ফেসবুকেই প্রথম পরিচয় হয়।
তাছাড়া রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো নড়াইলের চুমকিকে দেখতে জাতীয় মানসিক হাসপাতালে এসেছিলেন ফেসবুক বন্ধু Parvin Sultana ও ওনার এক অাত্বীয়া। চুমকির চিকিৎসা চলছে।
অামাদের কাজগুলোকে সর্বাত্বক সহযোগীতা করার জন্য জাতীয় মানসিক স্বাস্হ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল কতৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান ব্যাংকার শামীম আহমেদ।
হাসপাতাল কতৃপক্ষের সহযোগীতা না পেলে অামাদের কাজগুলো করা হয়তো সম্ভব হতো না।
নিচে Helping Hands BD পেইজের লিংক দেওয়া হল…


