লিড নিউজ

জুড়ীতে ৯০ বছরের দখলীয় বসতঘর প্রভাবশালী কর্তৃক দখলের অভিযোগ

জুড়ী প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় স্থানীয় এক প্রভাবশালী মহল কর্তৃক ৯০ বছরের পূরাতন দখলীয় ভূমির উপর নির্মিত বসতঘর জোরপূর্বক দখলের পায়তারার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘঠনাটি জুড়ী উপজেলার গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের উত্তর কুচাইতল (বাংলাবাজার) নামক স্থানে।সরেজমিনে দেখা যায়, উত্তর কুচাইতল মৌজার জেএল নং ৪১ এর ৩৪ ও ৪১ নং দাগে মৃত মখছুদ মিয়ার বসত ঘর যাহা বিগত ৮ যুগের অধিক সময়ের পুরাতন। মখছুদ মিয়ার মৃত্যুর পরে তার পরিবারের স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে, নাতী-নাতনী সহ অন্যান্য সদস্যরা ঐ বাড়ীতে বসবাস করে আসছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মখছুদ মিয়ার মৃত্যুর পর তারই পার্শ্ববর্তী বাড়ীর সজ্জাদ আলী (৫৫), পিতা নিয়ামত আলী ও রফিক আহমদ পিতা মৃত কালা মিয়া (গং) রা তার বসতবাড়ী ও গৃহ জোরপূর্বক দখলে নিয়ে অসহায় মৃত মখছুদ মিয়ার নির্যাতিত এ পরিবারকে উচ্ছেদ করে তাড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে একাধিক সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। মখছুদ মিয়ার বসতঘরের দাগে মোট জমির পরিমাণ ৩৪ শতক। তন্মধ্যে ২৬ শতক ভূমি সরকার থেকে মখছুদ মিয়ার সন্তানরা ৯৯ বছরের জন্য বন্দোবস্ত নেন। অবশিষ্ট ভূমি বন্দোবস্ত নেওয়ার আবেদন সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগে প্রক্রিয়াধীন থাকাবস্থায় সজ্জাদ ও রফিক মিয়ার নামে মৃত মখছুদ মিয়ার ৯০ বছরের দখলীয় বসতঘরের নিচের জমি বন্দোবস্ত নিতে আবেদন করলে মৃত মখছুদ মিয়ার সন্তান আলাল আহমদ গত ৩০ জুলাই জুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে
উক্ত ভুূমি অন্য কোন ব্যক্তিকে রেজি:/লীজ প্রদানে আপত্তি জানিয়ে লিখিত একটি আবেদন করেন। উক্ত ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে সজ্জাদ আলী ও রফিক আহমদ গংদের সাথে আলাল আহমদ গংদের আদালতে বিভিন্ন ধারায় ৩ টি মামলা বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে। উক্ত ভূমির উপর দীর্ঘ কয়েক যুগের দখলীয় বসতঘর থাকাবস্থায় উক্ত ভূমি কি ভাবে সজ্জাদ রফিকদের নামে কর্তৃপক্ষ রেজিস্টারি বা লীজ প্রদানে সরেজমিনে পূন:তদন্ত দাবী করে গত ৭ আগষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর বরাবরে আবেদন করেন আলাল আহমদ। আবেদনে আলাল আহমদ অভিযোগ আনেন, বর্ণিত ভূমির উপর বিগত ৯০ বছর যাবত আমাদের বসতঘর। উক্ত ভূমি আমার ৭ ভাইয়ের মধ্যে ৪ ভাইয়ের নামে সরকারী ভাবে ৯৯ বছরের জন্য বন্দোবস্ত প্রদান করা হয়। অবশিষ্ট ৫ শতাংশ জমি সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগে আমাদের অবশিষ্ট ভাইদের নামে বন্দোবস্তের আবেদন করা আছে। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। আলাল আহমদ তার অভিযোগে উল্লেখ করেন, বিবাদী সজ্জাদ-রফিকরা স্থানীয় পঞ্চায়েত, মুরব্বী, মেম্বার, চেয়ারম্যানদের কারো তোয়াক্কা করে না। এছাড়া ও স্থানীয় প্রভাবশালী কুচক্রীমহলের ইন্দনে সজ্জাদ-রফিকরা কিছুদিন পর পর আমাদের বসতঘর দখলে নিয়ে আমাদের পরিবারকে উচ্ছেদের জন্য দীর্ঘ দিন যাবত পায়তারা করে আসছে। এ ব্যাপারে আলাল আহমদ সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগে এ বিষয়ে সুষ্ট প্রতিকার চেয়ে আপত্তি ও পূন:তদন্ত দাবী করলেও এ সংক্রান্ত আদালতে পৃথক পৃথক ৩ টি মামলা বিচারাধীন থাকায় কর্তৃপক্ষ কাউকে অনুমোদন দিতে আইনী জটিলতা রয়েছে।

Related Articles

Back to top button