লিড নিউজ

অবশেষে নতুন জীবন পেল নবীগঞ্জের মানসিক ভারসাম্যহীন সেই রাণী

ফাহাদ মারুফ: সবার চেষ্টায় আরেকটা নতুন জীবন ফিরে পেল সেই রাস্তার রাণী । অবশেষে সিলেটের নবীগঞ্জের মানসিক ভারসাম্যহীন সেই রাস্তার রাণী ৩ বছর পর ফিরে পেল নতুন জীবন। ফিরে গেল তার পরিবার পরিজনের কাছে। দীর্ঘ দেড় মাস চিকিৎসার পর রাণীর পরিবার এসে রানীকে তার বাবার বাড়িতে নিয়ে যান।

rani-2

যমুনা ব্যাংকের অফিসার শফিকুল ইসলাম ও টাংগাইলের ফেসবুক বন্ধু শরিফুল ইসলাম রুদ্রের সার্বিক সহযোগীতায় যমুনা ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ম্যানেজার শামীম আহমেদের নেতৃত্বে সোমবার (২৮আগস্ট) সন্ধায় ঢাকার জাতীয় মানসিক স্বাস্হ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল থেকে রাণীকে তার আত্মীয়ের হাতে তুলে দেন।

সেখান থেকে রাণীর বাবার বাড়ি টাংগাইলের থানাপাড়াতে নিয়ে যান তার বড় বোন ও চাচাতো ভাই সবুজ ।

তাছাড়া ঢাকার গাবতলী থেকে ৩ জনের বাসের টিকেট কেটে বাসে উঠিয়ে দিয়ে আসেন ব্যাংকার শামীম আহমেদ।

রাণী এখন অনেকটা সুস্হ্য।এবং রাণীর জন্য ২ মাসের ঔষধ কিনে দেয়া হয়।সবাই রাণীর জন্য দোয়া করবেন। রাণী যেন সুখী জীবন যাপন করে।

উল্লেখ্য, ফেসবুক বন্ধুশেখ কাউসারের একটা স্কুলের প্রোগ্রামের আমন্ত্রনে কিছু দিন আগে সিলেটের নবীগঞ্জের আউশকান্দি যাওয়ার পর রাণীকে রাস্তায় দেখতে পান ব্যাংকার শামীম।

তার ১ সপ্তাহ পর আবার কিছু বন্ধুদেরকে নিয়ে আউশকান্দিতে গিয়ে রাস্তা থেকে রাণীকে উদ্ধার করে ঢাকায় নিয়ে আসেন ও জাতীয় মানসিক স্বাস্হ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ভর্তি করান।

ভর্তির ২ দিন পর ফেসবুকে শামীম আহমেদের ষ্ট্যাটাস দেখে রানীর পরিবার হাসপাতালে এসে রাণীকে সনাক্ত করেন।

যেহেতু মেয়েটি তার নাম বলতে পারতো না,তাই হাসপাতালে ভর্তি করানোর সময় মেয়েটির নাম দেওয়া হয় “রাণী”।

রাণীকে সার্বক্ষনিক দেখাশুনার জন্য হাসপাতালে জরিনা বেগম নামের বেতনভুক্ত একজন বয়স্ক মহিলাকে নিয়োগ দেন শামীম আহমেদ।

ঈদের পর টাংগাইলে গিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে রাণীকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানান ব্যাংকার শামীম আহমেদ।

রাণীর আগের নিউজ………..

//www.sylhetmedia.com/?p=2525

 

Related Articles

Back to top button