শাল্লায় দু’সপ্তাহে ৫ জনের মৃত্যু

নিতে পারছেন না সাধারণ মানুষ। জানা যায় গত ১৬ মে হবিবপুর ইউ.পি’র চাকুয়া
গ্রামের বাসিন্দা ও ওই ইউ.পি শাখার আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কৌশিক
রঞ্জন দাস (৪০) হৃদরোগে আক্রান্ত হলে সাথে সাথে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে
যান তার সহকর্মীরা। তখন কর্তব্যরত চিকিৎসক অবস্থা বেগতিক দেখে তাকে সিলেট
এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। রাস্তায় তার মৃত্যু
হয়। তার অকাল মৃত্যুতে উপজেলার রাজনৈতিক মহল সহ সর্বস্তরে শোকের ছায়া
নেমে আসে।
ওইদিন হবিবপুর ইউ.পি’র কাশিপুর গ্রামের বাসিন্দা নূর আলী (৫৫) ২৬ মে মাছ
ধরতে গিয়ে ঘিলুটিয়া নামক স্থানটি সাঁতরে পাড় হতে চাইলে ¯্রােতে পড়ে মারা
যান। পরদিন ২৭ মে সকালে তার মৃতদেহ পানিতে ভেসে উঠলে শতাধিক জনতা তার
মৃতদেহটি উদ্ধার করেন।
গত ২৭ মে বাহাড়া ইউ.পি’র প্রতাপপুর গ্রামের রঞ্জিত দাস (২০) বিষপানে
মৃত্যু হয় বলে জানা যায়। ২৮ মে উপজেলা সদরে ফরিদ মিয়ার বাসার দু’তলা থেকে
বিজয় চন্দ্র দাস (২৮) এর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। জানা যায় বিজয়
নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুরী উপজেলার কুতুবপুর গ্রামের হরেন্দ্র চন্দ্র
দাসের ছেলে। সে স্থানীয় ঘুঙ্গিয়ারগাঁও বাজারে প্রাণের পরিবেশক মোঃ
একরামুল হোসেনের অধীনে এক মাস পূর্বে চাকুরীতে আসে। আরো জানা যায় বিজয়
ঘুঙ্গিয়ারগাঁও বাজারে ঈশিতা বেকারীতে দীর্ঘ ৬ বছর চাকুরী করেছে। গোপন
সংবাদের ভিত্তিতে আরো জানা যায় মৃত বিজয়ের নাকি একটি প্রেমের সম্পর্ক
ছিল। তবে কোন নারী/মেয়ের সাথে সম্পর্ক ছিল তা এখনো জানা যায়নি। বিজয়ের
লাশ উদ্ধার কালে তার ডান হাত একটি পুরোনো রশি দ্বারা বাঁধা ছিল। এ নিয়ে
উপজেলায় চলছে না জল্পনা-কল্পনা।
গত ৩০ মে বাহাড়া ইউ.পি’র শিবপুর গ্রামের অমর তালুকদার (৩৫) নামের এক যুবক
বিষপানে মারা যায়। সেও একটি কোম্পানীতে বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করত।
এসব অকাল মৃত্যুতে উপজেলার জনমনে আতংক বিরাজ করছে।




