এবার ছিনতাইকারী ধরতে নদীতে ঝাঁপ দিল পুলিশ!


এর আগে ওই ছিনতাইকারীকে নগরীর জেলরোড এলাকা থেকে আটক করা হয়েছিল। থানায় নেওয়ার পথে সে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে সুরমা নদীতে ঝাঁপ দেয়।
কোতোয়ালি থানার কনস্টেবল রাজন চৌধুরী ও এএসআই পাশা জানান- তারা বৃহস্পতিবার বিকাল ৫ টার দিকে জেলরোড এলাকাতে সিএনজি অটোরিকশাতে করে টইল দিচ্ছিলেন। তখন ওই এলাকাতে ছিনতাইকালে পুলিশ সদস্যরা ধাওয়া দিয়ে ফয়েজ (২৫) নামের ওই ছিনতাইকারীকে আটক করেন।
পরে সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানায় নিয়ে যাওয়ার পথে আলী আমজদের ঘড়ি সংলগ্ন স্থানে পৌঁছুলে ফয়েজ পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে সিএনজি অটোরিকশা থেকে নেমে গিয়ে চাঁদনী ঘাটের সিড়ি দিয়ে সুরমা নদীতে ঝাঁপ দেয়।
তাৎক্ষণিক কনস্টেবল রাজন চৌধুরীও কাপড় চোপড় পরিহিত অবস্থায় নদীতে ঝাঁপ দিয়ে ছিনতাইকারী ফয়েজকে ধাওয়া করেন। একটি ইঞ্জিন নৌকাতে করে অন্যদিক থেকে ফয়েজকে ধাওয়া দেন অপর পুলিশ সদস্য এএসআই পাশা।
এতক্ষণে নদীর দুই পাশেই ভীড় জমান শত শত মানুষ। ছিনতাইকারী দক্ষিণপাড়ের পদ্মা তেলের ডিপো সংলগ্ন এলাকা দিয়ে পাড়ে ওঠতে চেষ্টা করে। তখন পাড়ে দাড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষও তাকে ধাওয়া দেন। পুলিশ তাকে দুই দিক থেকে তাকে ধাওয়া দিয়ে ঝাপটে ধরে ফেলে।
পানিতে থাকা কনস্টেবল রাজন চৌধুরী ও এএসআই পাশা তাকে টেনে ইঞ্জিন নৌকায় তুলে কোতোয়ালি থানার সংলগ্ন ঘাটে নিয়ে নামান। সেখানেও ছিনতাইকারীকে দেখতে ভীড় জমান শতো শতো উৎসুক মানুষ। বর্তমানে আটককৃত ছিনতাইকারী ফয়েজ (২৫) কোতোয়ালি থানা হাজতে আটক রয়েছে।
কোতোয়ালি থানার কনস্টেবল রাজন চৌধুরী জানান- জেলরোডে ছিনতাইকালে হাতে নাতে ফয়েজকে (২৫) আটক করেন তারা। পরে তাকে নিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়ার পথে সে তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সুরমা নদীতে ঝাঁপ দেয়।
পরে কনস্টেবল রাজন চৌধুরীও তাৎক্ষণিক নেমে ঝাঁপ দেন নদীতে। অপর পুলিশ সদস্য এএসআই পাশা ইঞ্জিন চালিত নৌকা নিয়ে নদীতে তার পিছু নেন। একপর্যায়ে পুলিশ তাকে দুই দিক থেকে ঘিরে আটক করতে সক্ষম হন।
আটককৃত ছিনতাইকারীকে কোতোয়ালি থানায় নেওয়া হয়েছে।




