ছাত্রলীগের তিন কর্মীকে কোর্টে চালান


বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি: বিয়ানীবাজারে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের তিন দফা সংঘর্ষের ঘটনায় আটক তিন জনকে কোর্টে চালান দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার তাদেরকে কোর্টে চালান দেয়া হয় বলে জানিয়েছেন বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ চন্দন কুমার চক্রবর্তী। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ বিষয়ে থানায় কোন মামলা হয়নি বলেও জানানা ওসি।
সোমবার বেলা দু’টায় পূর্ব সংঘর্ষের জের ধরে কলেজ রোডে পল্লব ও স্বাধীন গ্রুপের কর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে দু’পক্ষের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইট পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।
এতে পল্লব গ্রুপের নাঈম ও স্বাধীন গ্রুপের ইমন আহত হন। তাদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়। পুলিশ পল্লব গ্রুপের কোনাগ্রামের নাঈম, হাবিব এবং স্বাধীন গ্রুপের দাসগ্রামের ইমনকে আটক করে।
এ সংঘর্ষের জের ধরে পল্লব গ্রুপের কর্মীরা বেলা আড়াইটায় সমবায় মার্কেটস্থ উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আব্দুল কুদ্দুছ টিটুর নিয়ন্ত্রণাধীন যুবলীগের অস্থায়ী কার্যালয় ভাংচুর করে।
এদিকে, ৫ ঘন্টা যেতে না যেতেই রাত ৭টায় ছাত্রলীগের স্বাধীন গ্রুপের মুখোশধারী কর্মীরা ইনার কলেজ রোডে একা পেয়ে পল্লব গ্রুপের রমজানকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে পালিয়ে যায়। পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা আশংকাজনক দেখে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত সিলেট ওসমানী হাসপাতালে প্রেরণ করেন। আহত ছাত্রলীগ কর্মী রমজানের বাড়ি মুড়িয়া ইউনিয়নের কোনাগ্রামে।
এদিকে, রাত সাড়ে ৮টার দিকে পল্লব গ্রুপের চোরাগোপ্তা হামলায় স্বাধীন গ্রুপের পারভেজ, সিদ্দিক ও শিপলু আহত হন। তাদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়।




