অনলাইন ডেস্ক : সিলেট নগরীর ধোপাদিঘীর পাড় দখল করে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। রোববার দিনব্যাপী নগরীর ধোপাদিঘীর পাড় দখল করে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে সিসিক।
সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযানে অর্ধশতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। বেশ কয়েকদিন আগে এই এলাকার অবৈধ দখলদারদের মালামাল ও স্থাপনা সরিয়ে ফেলার নোটিশ দেয়ার পর আজ সিটি কর্পোরেশন উচ্ছেদ অভিযানে নামে।
সিটি কর্পোরেশন সূত্রে জানা যায়, নগরীর ধোপাদিঘীর পূর্ব পাড়ে দীর্ঘদিন থেকে বিভিন্ন ভূমিখেকো চক্রের দ্বারা দখল হয়ে আছে। শুধু ধোপাদিঘীর পাড়ই নয়, দিঘীর বিশাল অংশও ভোগদখল করে আছে চক্রটি। এমনকি তারা দিঘী এবং সরকারি জায়গার ওপর ছোট-বড় বিল্ডিং ও দোকানপাট তৈরি করে ব্যবসা পরিচালনা করছে।
বিষয়টি নজরে আসলে গত নির্বাচনের আগে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে তাদেরকে নোটিশ দেয়া হয়। নোটিশ পাওয়ার দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও দখলদাররা জায়গা ছাড়েনি। অভিযানে অবৈধ দখলদারদের সময় দেয়ার পরও যারা মালামাল সরাননি তাদের অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয়া হয়।
অভিযানে সিসিকের প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান, প্রকৌশলী আব্দুল আজিজ, প্রকৌশলী আলী আকবরসহ সিসিকের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।
বিকেলে অভিযান শেষে সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আশা-প্রত্যাশা পূরণের জন্য আমাকে দ্বিতীয় বারেরমতো মেয়র নির্বাচিত করেছেন নগরবাসী। এ কারণে আমার কাছে নগরবাসীর আশা-প্রত্যাশা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। নগরবাসীর আশা-প্রত্যাশা পূরণ করতেই কাজ শুরু করেছি। একটি আধুনিক ও নতুন সিলেট গড়তে নগরবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন। তবেই কাঙ্ক্ষিত মহানগর উপহার দেয়া সম্ভব।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পরপরই আধুনিক ও নতুন সিলেট গড়ে তুলতে কাজ শুরুর লক্ষ্যেই এ অভিযান চালানো হয়েছে জানিয়ে মেয়র আরিফুল বলেন, উচ্ছেদ হওয়া জায়গার ওপর ভারতীয় হাইকমিশনের সহযোগিতায় ধোপাদিঘীকে খনন করে এর পাশে ওয়াকওয়েসহ সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ শুরু হবে।