
মোঃ আবুল কালাম জাকারিয়া : জামালগঞ্জ উপজেলার ভীমখালী ইউনিয়নের পুরান চান্দবাড়ি গ্রামের মানুষ একটি রাস্তার অভাবে দীর্ঘ দিন ধরে বাঁশের সাঁকো ও নৌকা দিয়ে যাতায়াত করে আসছে।এগ্রামের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্কুল,কলেজ ও মাদরাসায় আসা যাওয়া করছে।প্রায়ই বাঁশের সাঁকো পারাপারের সময় মাদরাসায় পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীরা দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।নওয়াগাঁও আলিম মাদরসা পড়ুয়া ও বড় চান্দবাড়ি সরকারী প্রাইমারি স্কুলে পড়ুয়া শতাধীক শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নিয়মিত আসা যাওয়া করছে।ফলে প্রায়ই ঘটে যাচ্ছে ছোট বড় দুর্ঘটনা। পাশাপাশি দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করতে গিয়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন অত্র গ্রামবাসী। প্রাইমারি স্কুল পড়ুয়া বাচ্চারা জানায় পানির সময় আইলে আমরা যে কষ্ট করে স্কুলে যাই তা মনে হয় আমরার বড়রার চৌখুত ধরেনা! ইতি পূর্বে রাস্তার কাজ মসজিদ পর্যন্ত হলেও বাকিটা না হওয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন কৃষক লীগের মোঃ মাসুদ পারভেজ তালুকদার ও গ্রামের অনেকেই। গ্রামবাসীর অভিযোগ ভোটের সময় বসন্তের কোকিলগুলো নানাভাবে মানুষের ভোট ও সমর্থন আদায় করে থাকেন। ভোটের শেষে আর এসব প্রতিনিধিদের কোন খোঁজ পাওয়া যায় না। ভীমখালী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ দোলাল মিয়াকে ১১টা ৪১ মিঃ ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভড না করায় কিছু জানা যায়নি। দীর্ঘদিনের যাতায়াত সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য এলাকাবাসীর দাবি একটি রাস্তার। সরকারের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের কাছে ছাত্র-ছাত্রীদের দাবি ডিজিটাল দেশে বাঁশের সাঁকোর পরিবর্তে রাস্তা নির্মাণ করে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের। অপর দিকে মৌলীনগর গ্রামবাসীও বহুদিন যাবত রাস্তার কষ্টে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। গ্রামের প্রবীন মোরব্বি আং আহাদ বলেন মনে খয় আমরা মরিগেলে সরকার রাস্তা খরবাইন! কত চেয়ারম্যান-মেম্বার আইরা যাইরা রাস্তাতো ঔলাখানই রইগেল। মেম্বার-চেঢারম্যানরার উন্নয়ন হইল কিন্তু রাম্তার হইল কই? এখনো নৌকায় যাতায়াত করা লাগের মরার! বসন্তের কোকিলেরা এখন এসে দেখে যান আমরা অবহেলিত ভোটাররা কত কষ্টে আছি।