নিজস্ব প্রতিনিধি : বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজে ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে অসন্তুষ্টি জানিয়েছেন ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা। স্নাতক (পাস) ২য় ও ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম গত ২০ মে শুরু হয়েছে। কলেজ বিজ্ঞপ্তিতে ৩১ মে ভর্তি মেয়াদ শেষ হবে। কিন্তু অর্ধেক শিক্ষার্থী এখনো ভর্তি হতে পারেননি। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ- উৎকণ্ঠা ও উত্তেজনা দেখা দেয়।
এদিকে ৩০ মে মঙ্গলবার হুট করে স্নাতক (পাস) শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ করে স্নাতক সম্মান শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ভর্তি নেয়া হচ্ছে। এতে স্নাতক (পাস) শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। কয়েকজন শিক্ষার্থী উত্তেজিত হয়ে শিওর ক্যাশের কর্মীরে সাথে বাগবিতণ্ডা করেন।
কলেজের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে স্নাতক পাস ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের ২য় বর্ষ এবং ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের ৩য় বর্ষের শিওর ক্যাশের মাধ্যমে ২০ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত জমা দেওয়া যাবে।
জানা যায়, ভর্তি কার্যক্রমের শুরু থেকে শিক্ষার্থীদেরর দূর্ভোগে ফেলে অাল অারাফাহ ইসলামী ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং শাখা শিওর ক্যাশের এজেন্টরা। ভর্তি কার্যক্রমের ১ম দিন থেকে একজন মাত্র কর্মী দিয়ে হাজার খানেক শিক্ষার্থীদের ফি গ্রহণ করছে তারা। এতে দীর্ঘ সময় লাইনে দাড়িয়ে ভর্তির সুযোগ না পেয়ে শিক্ষার্থীরা ফিরে যাচ্ছেন। এছাড়া দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাড়িয়ে শিক্ষার্থীরা ফি অাদায় করতে গিয়ে বিভিন্ন জটিলতায় পড়তে হচ্ছে। একজন কর্মীর মাধ্যমে হাজার খানেক শিক্ষার্থীর ভর্তি কার্যক্রম চালাতে গিয়ে প্রায়ই ভুল হচ্ছে। শিওর ক্যাশের এজেন্টের দায়িত্বশীল কর্মীর এসব ভুলের মাশুল দিতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। অধিকাংশ শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার পরও মোবাইলে ফি কনফার্মেশনের মেসেজ পাচ্ছেন না।
এদিকে মাঝে মধ্যে নেটওয়ার্ক সমস্যা কথা জানিয়ে হঠাৎ করে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত করারও অভিযোগ করে উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা। বিষয়টি কলেজের শিক্ষকদের জানানোর পরও এ বিষয়টি কোন সুরাহা হয়নি বলে ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন।
কলেজ শিক্ষক ইসতিয়াক আহমদ বলেন, স্নাতক (সম্মান) শিক্ষার্থীদের ভর্তির বিষয়টি জরুরী। সেজন্য স্নাতক (পাস) শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। অধ্যক্ষ স্যার আসলে বিষয়টি সমাধান করা হবে।
বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক দ্বারকেশ চন্দ্র নাথ বলেন, অসুস্থ থাকায় কলেজে আসতে দেরী হচ্ছে। কলেজের এসেই বিষয়টি জেনে সমস্যা সমাধান করা হবে। তিনি বলেন, স্নাতক (পাস) শিক্ষার্থীদের ভর্তির সময় প্রয়োজন পড়লে বাড়িয়ে দেয়া হবে।