
নিউজ ডেস্ক:
২০১৪ সালের ২৮ আগষ্ট রাত ২ টায় সিলেট পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের শিবিরের কয়েকজন নেতা পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, শিবিরের পলিটেকনিক শাখায় ক্যাম্পাস ওয়ার্ড সভাপতি আব্দুল বাছির,আবাসিক ওয়ার্ড সভাপতি সেলিম রেজা ও কুশিয়ারা উপশাখার সাংগঠনিক সম্পাদক নাহিদুল হক।
তাদের বিরোদ্ধে বাদী হয়ে সিলেট মহানগর আওয়ামিলীগ এর বর্তমান যুগ্নসাধারণ সম্পাদক কোতয়ালী থানায় একটি জিডি করেন। থানায় আমাদের সংবাদকর্মী মুহিব গেলে কোতোয়ালি থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ওসি বলেন অভিযুক্ত আসামীরা বিধান কুমার সাহার বাড়িতে ২৮ আগষ্ট রাত আনুমানিক ১২:৩০ এ অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করা সহ পরিবারের সদস্যদের গুরুতর আহত করে। বিপুল নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুট, এমণকি পালিয়ে যাওয়ার সময় বিধান কুমার সাহা সহ দুইজন সিকিউরিটি গার্ডকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।
ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আমাদের সংবাদকর্মী সশরীরে ঘটনাস্তলে পৌঁছেলে স্থানীয় লোকজনের বরাতে জানা যায় যারা হামলা করেছে বিধান সাহার বাগবাড়ির বাড়িতে তাদের প্রায়সময় বিধান সাহার বাড়িতে দেখা যায়। তাদের মধ্যে থেকে অনেকেই সিলেট পলিটেকনিকের ছাত্রলীগের রিমি ও সায়েম গ্রুপের সাথে জড়িত।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কি পরিমাণ অবনতি হলে যাদের হাতে দেশের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার দ্বায়িত্ব ন্যাস্ত তারাই কিনা কোনো রকম তদন্ত,যাচাই-বাছাই এমণকি তথ্য প্রমাণের ব্যবস্থা না করেই শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে সম্পূর্ণ নিরপরাধ বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের রাতের আধারে আটক করতে পারে।
এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সিলেট পলিটেকনিকের অধ্যক্ষ থেকে শুরু করে দলমত নির্বিশেষে স্থানীয় বরইকান্দির প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গরা।পলিটেকনিক শিবির সভাপতি লায়েক আহমদ আবির বলেছেন বাংলাদেশের টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া শিবিরের গৌরবউজ্জল সোনালী রুপকথা দিনকে দিন রচিত হচ্ছে। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে শিবিরের কর্মী,সাথী এমণকি নেতাকর্মীরা এহেন কোনো কাজে জড়িত হওয়ার ইতিহাস বাংলার মাটিতে রচিত হয়নি। পলিটেকনিক সভাপতি আরও বলেন,১৯ আগস্ট রাত ১ টায় ছাত্রলীগের সায়েম ও রিমি গ্রুপ পলিটেকনিকের সুরমা ও প্রতিভা ছাত্রাবাসে একক আধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্যে ঘুমন্তরত সাধারণ ছাত্রদের উপর হামলার করে।২০ জুলাই ২০১৪ সালের পলিটেকনিক ক্যাম্পাসে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের জোটগত আন্দোলনের ফলস্বরূপ দলমত নির্বিশেষে সাধারণ ছাত্ররা যখন আন্দোলনে শরিক হয়ে দোষীদের আজীবন বরখাস্তসহ তাদের আইনের আওতায় এনে পলিটেকনিকের ছাত্রাবাস পুণরায় সাধারণ ছাত্রদের জন্য উন্নুক্ত করে দেওয়ার জন্য আন্দোলন করছিল তখন শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে পুলিশকে সাথে নিয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ রিমি ও সায়েম আন্দোলনকারী সাধারণ ছাত্রদের উপরে নির্বিচারে হামলা করেছিল।তারই ধারাবাহিকতায় আবারও আমাদের কোনঠাসা এমণকি সাংঘঠনিকভাবে পলিটেকনিক শাখাকে দুর্বল করতে আমাদের তুখোর নেতাকর্মীদের পরিকল্পিত সাজানো মামলায় গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।